এপ্রিলে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে অসামান্য অবদান রেখেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

Printed Edition

রামপালের মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট গত এপ্রিল মাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক অসামান্য রেকর্ড গড়েছে। মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ আর বিদ্যুতের আকাশচুম্বী চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। জাতীয় সঙ্কটের এই সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি একাই জোগান দিয়ে কেন্দ্রটি জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

তীব্র দাবদাহের এই মাসে কেন্দ্রটি গড়ে ৮০% প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর বা সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন কেন্দ্রটি অভাবনীয় ৯৭% সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রেখেছে। এই নিয়ে পঞ্চম বারের মতো রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল, যা এর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতারই প্রমাণ।

পরিচালন দক্ষতা ও অংশীদারিত্বের দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন ‘সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্রটি পরিচালনা করা আমাদের শক্তিশালী ডিজাইন এবং টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এই সাফল্য আমাদের কঠোর পরিচালন পদ্ধতি এবং দুই দেশের মধ্যকার সফল সহযোগিতার একটি অনন্য নিদর্শন।’ বর্তমানে কেন্দ্রটি ভারতের এনটিপিসি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একদল দক্ষ বাংলাদেশী প্রকৌশলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এনটিপিসি বর্তমানে উপদেষ্টা হিসেবে সহায়তা প্রদান করলেও, স্থানীয় মেধাবী প্রকৌশলীদের দ্বারা এই বিশালাকার কেন্দ্রের দৈনন্দিন পরিচালনা বাংলাদেশের কারিগরি সক্ষমতা অর্জনের পথে একটি বড় অর্জন। বিজ্ঞপ্তি।