আবার জাতীয় দলে বিশ^নাথ
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে অপরিহার্য খেলোয়াড় হয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বনাথ ঘোষ। সেই বয়সভিত্তিক জাতীয় দল থেকে শুরু করে সিনিয়র জাতীয় দল পর্যন্ত। তবে এরপর ইনজুরিতে ছিটকে পড়া। সুস্থ হওয়ার জন্য থাইল্যান্ড গিয়ে অপারেশন পর্যন্ত করাতে হয়েছিল। এমন বড় ধরনের চোটের পর অনেকেরই আর জাতীয় দলে ফেরা হয় না। কেউ কেউ তো খেলাই ছেড়ে দেন। কিন্তু বিশ্বনাথের মনে ছিল প্রচণ্ড জেদ। তাই মাঠে ফেরা এবং জাতীয় দলে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে তোলার। বসুন্ধরা কিংসের হয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের পর কোচ হাভিয়ার কাবরেরাও নোট বুকে ঠাঁই দিলেন বিশ্বনাথকে। ফলে ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দুই ম্যাচের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ দলে ডাক পেয়েছেন এই রাইট ব্যাক। সর্বশেষ ভুটানের বিপক্ষে ২০২৪ সালে ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। তবে এই ক্যাম্পের জন্য ডাকা হয়নি হামজা চৌধুরীকে। যেহেতু তিনি সরাসরি ভিয়েতনাম যাবেন তাই তিনি নেই ক্যাম্পে। কাল থেকে শুরু হবে ক্যাম্প। পরশু দিন অনুশীলন। জাতীয় দল থাকবে গুলশানের একটি হোটেলে। ১৯ মার্চ পর্যন্ত ঢাকায় ক্যাম্প। ২০ তারিখে বাংলাদেশ দল ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা হবে। এরপর ২৭ তারিখে ভিয়েতনামে ম্যাচ খেলে ৩১ তারিখে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে।
তবে এই দলে জায়গা হয়নি গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর। বরং কোচ আস্থা রেখেছেন মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও সুজন হোসেনের ওপর। সাথে ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলরক্ষক ইসহাক আকন্দ।
সর্বশেষ জাতীয় দলে ছিলেন ইংল্যান্ড প্রবাসী কিউবা মিচেল। এবার তিনি বাদ। তবে অন্য প্রবাসী ফুটবলাররা আছেন। ইতালি প্রবাসী ফাহামিদুল ইসলাম, কানাডা প্রবাসী শমিত শোম, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জায়ান আহমেদ, ফিনল্যান্ড প্রবাসী তারিক কাজীরা আছেন দলে। দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার শাকিল হোসেন, মঞ্জুরুর রহমান মানিক, ফরোয়ার্ড রফিকুল ইসলাম ও মিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশ দল : মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, ইসহাক আকন্দ, তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ তপু, আবদুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, মঞ্জুরুর রহমান মানিক, ঈসা ফয়সাল, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানী, শেখ মোরসালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মো: সোহেল রানা, মো: হৃদয়, শমিত শোম, আরমান ফয়সাল আকাশ, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহামিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম , রফিকুল ইসলাম ও সুমন রেজা।