আদমদীঘিতে ওএমএস ডিলার আছে, চাল-আটার বরাদ্দ নেই
Printed Edition
আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌরসভা ও রেলওয়ে জংশন এলাকায় ওএমএসের ছয়জন ডিলার থাকলেও দেড় বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত চাল-আটার বরাদ্দ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো শ্রমজীবী মানুষ। বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী শ্রমঘন এলাকায় প্রতিদিন স্বল্পমূল্যে চাল-আটা বিক্রির কথা থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার পরিবর্তনের পর উপজেলায় ডিলারের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯ জন করা হলেও সান্তাহারের ডিলাররা নিয়মিত বরাদ্দ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে উপজেলা সদরে তিন ডিলারের মাধ্যমে সমন্বয় করে সপ্তাহে প্রতিদিন (সরকারি ছুটি ব্যতীত) প্রায় এক মেট্রিক টন চাল বিক্রি করা হচ্ছে। সান্তাহারের ডিলার মামুনুর রশিদ ও শাহজাহান আলম স্বপন জানান, মাসে একবার সামান্য চাল বরাদ্দ পেলেও তা টিসিবি কার্যক্রমে দিতে হয়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজস্ব দোকানে চাল-আটা বিক্রি করতে পারছেন না এবং লোকসানের মুখে পড়েছেন।
এদিকে নিম্নআয়ের মানুষ বলছেন, টিসিবির মাধ্যমে মাসে পরিবারপ্রতি মাত্র পাঁচ কেজি চাল পাওয়া যায়, যা কয়েকদিনেই শেষ হয়ে যায়। পরে বাজার থেকে বেশি দামে চাল কিনতে বাধ্য হতে হয়। তাদের মতে, ওএমএস চালু থাকলে ৩০ ও ২৪ টাকা কেজি দরে চাল-আটা কিনে খরচ কমানো সম্ভব হতো।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবুল বাশার খন্দকার জানান, বরাদ্দ না পাওয়ার কারণ তার জানা নেই; মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।