মাভিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থী আসলে কারা
Printed Edition
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত একটি শব্দগুচ্ছ হলো ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’। নানা দাবিদাওয়া ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রায়ই বলা হচ্ছে, এটি ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি’। তবে প্রশ্ন উঠছে এ ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ আসলে কারা?
পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, হঠাৎ করেই সমাজমাধ্যমে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি’ উল্লেখ করে বিভিন্ন পোস্ট দেয়া হচ্ছে। অনেক সময় অসম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্য দিয়ে এসব পোস্ট প্রচার করা হয়। আবার কিছু সময় পর রহস্যজনকভাবে সে পোস্ট মুছে ফেলা হয় কিংবা নতুন করে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র ব্যানারে নতুন দাবিদাওয়া সামনে আনা হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এসব দাবি আদৌ কতটা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামতের প্রতিফলন।
এ দিকে মাভাবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি গ্রহণযোগ্য সমাজমাধ্যম গ্রুপে চালানো জরিপে উঠে এসেছে ভিন্ন চিত্র। জরিপে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ হিসেবে তাদের মতামতের অংশগ্রহণ শূন্য শতাংশ।
জরিপ অনুযায়ী ছয় শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অংশগ্রহণ প্রায় ১০ শতাংশ, ১ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, তাদের মতামতের প্রতিফলন প্রায় ২০ শতাংশ, আর মাত্র ১ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র নামে যে ব্যানারের কথা বলা হয়, সেখানে তাদের অংশগ্রহণ ১০০ শতাংশ রয়েছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন দাবিদাওয়া উত্থাপনের ক্ষেত্রে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাই সবচেয়ে বেশি ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র ব্যানার ব্যবহার করেছেন।