চৌদ্দগ্রামে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে বাড়িঘর ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৭

Printed Edition

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে দফায় দফায় হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের সিংরাইশ মাস্টারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি শনিবার বিকেলে নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিংরাইশ গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে মো: সবুজের সাথে একই এলাকার আমির ইসলামের ভাতিজা রেজাউল করিমের দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে রেজাউল করিমকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এ সময় এক যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে একদল লোক এলাকায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িসহ সাতটি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। সংঘর্ষে রেজাউল হক, আলমগীর হোসেন, মো: রেহান, মো: রিফাত, সৌদি প্রবাসী আরিফ হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও ফাতেমা আক্তারসহ সাতজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ওই যুবলীগ নেতা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। শুক্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে সংঘর্ষ শুরু হয়ে দফায় দফায় মধ্যরাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলতে থাকে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া বলেন, শুক্রবার রাতের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।