ধামরাইয়ে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ

উত্তরায় আরো একজনের মৃত্যু

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার ধামরাইয়ে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন। অন্য দিকে রাজধানীর উত্তরায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ এনায়েত আলী (৩২) নামে আরো একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে উত্তরার ওই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দু’জনে।

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ধামরাইয়ের একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় দগ্ধ হন বাদশা মিয়া (৫৬), তার স্ত্রী সুমনা আক্তার (৪৫), মোহাম্মদ আরাফাত (২২) ও আবু বক্কর সিদ্দিক (১৬)। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা: শাওন বিন রহমান জানান, সুমনা আক্তারের শরীরের ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হওয়ায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের মধ্যে বাদশা মিয়ার ৩ শতাংশ এবং আরাফাত ও আবু বক্কর সিদ্দিকের ২ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে; বর্তমানে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

উত্তরার ঘটনায় মৃত্যু : এ দিকে গত শুক্রবার রাজধানীর উত্তরায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ এনায়েত আলী (৩২) মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে এই একই ঘটনায় ১০০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রুবেলের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫)।

উল্লেখ্য, উত্তরার ওই দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন বাকি দগ্ধদের মধ্যে রুবেল ও রিয়া আক্তারের শরীরে ৩২ শতাংশ, রোজার ১৮ শতাংশ, জুনায়েদের ২৪ শতাংশ, দেলেরা খাতুনের ১৪ শতাংশ, আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ এবং আয়েশা আক্তারের শরীরে ১২ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে। তাদের অধিকাংশেরই চিকিৎসা চলছে।