গাজা যুদ্ধের দীর্ঘ পর্বের পর মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হলো—হামাস কি কার্যত শেষ হয়ে গেছে, নাকি এটি কেবল সাময়িকভাবে দুর্বল হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর শুধু ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নয়; বরং ইসরাইলের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীতিকেও প্রভাবিত করবে।
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বিশ্লেষক যুক্তি দিচ্ছেন যে, হামাসকে এখনো একটি সর্বশক্তিমান ও পুনরুত্থানের দ্বারপ্রান্তে থাকা সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি মেলে না। তাদের মতে, সংগঠনটি সামরিক, প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক—তিন ক্ষেত্রেই এমন ক্ষতির মুখে পড়েছে, যা অতীতের সংঘাতগুলোর তুলনায় অনেক গভীর। এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায় যে, "হামাসকে কখনোই পরাজিত করা যায় না।"
প্রশ্ন হলো বাস্তবে সত্য কি তাই, নাকি এর উল্টো দিকের বাস্তবতাও রয়েছে।
এই বিশ্লেষণের কেন্দ্রীয় বক্তব্য হলো, হামাসকে শুধুমাত্র একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে নয়, বরং একটি বহুমাত্রিক রাজনৈতিক-সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে হবে। অতীতে হামাস একই সঙ্গে ছিল একটি রাজনৈতিক আন্দোলন, প্রশাসনিক কাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সামরিক সংগঠন।
কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, ব্যাপক নেতৃত্বহানি, অবকাঠামো ধ্বংস, প্রশাসনিক ভাঙন এবং আর্থিক সঙ্কটের ফলে সংগঠনটির এই বহুমাত্রিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—যদি একটি সংগঠন তার নেতৃত্ব, অর্থায়ন, প্রশাসন এবং জনসেবা কাঠামোর বড় অংশ হারায়, তাহলে কি তাকে আগের অর্থে একই সংগঠন বলা যায়?
এই যুক্তি অনুযায়ী, হামাসের অস্তিত্ব সম্পূর্ণ বিলীন না হলেও তার কার্যকর রাষ্ট্রসদৃশ সক্ষমতা অনেকাংশে ভেঙে পড়েছে।
বহু নিরাপত্তা বিশ্লেষকের মতে, হামাসকে কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে স্থায়ীভাবে নির্মূল করা সম্ভব—এমন ধারণার পক্ষে ইতিহাস শক্ত প্রমাণ দেয় না। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর সংগঠনটি একাধিক যুদ্ধ, লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ড, অবরোধ এবং সামরিক অভিযানের মুখোমুখি হলেও বারবার পুনর্গঠিত হয়েছে। তাদের যুক্তি হলো, কোনো সশস্ত্র সংগঠনের শক্তি শুধু অস্ত্র বা নেতৃত্বে নয়; বরং যে রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা তাকে জন্ম দেয়, তার মধ্যেও নিহিত।
ফিলিস্তিনে দীর্ঘমেয়াদি দখলদারিত্ব, রাজনৈতিক সমাধানের অনুপস্থিতি, গাজার গভীর মানবিক সঙ্কট, বেকারত্ব ও হতাশায় বেড়ে ওঠা তরুণ প্রজন্ম এবং গ্রহণযোগ্য বিকল্প রাজনৈতিক নেতৃত্বের দুর্বলতা হামাসের মতো সংগঠনের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। তাই সামরিকভাবে হামাস দুর্বল হলেও তার মতাদর্শ, সমর্থনভিত্তি বা নতুন রূপে পুনর্গঠনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই কারণে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, স্থায়ী শান্তির জন্য সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি একটি কার্যকর রাজনৈতিক সমাধানও অপরিহার্য।
একটি মৌলিক বিশ্লেষণী প্রশ্ন হলো—কোনো আন্দোলনের প্রকৃত শক্তি কি তার নেতৃত্বে নিহিত, নাকি তার আদর্শ, সামাজিক ভিত্তি ও জনসমর্থনে? ইতিহাস বলছে, এই প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই। অনেক আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্ব নিহত বা গ্রেপ্তার হওয়ার পরও তাদের আদর্শ ও সংগঠন বিভিন্ন রূপে টিকে থেকেছে এবং নতুন নেতৃত্বের অধীনে পুনর্গঠিত হয়েছে। আবার এমন উদাহরণও রয়েছে, যেখানে সামরিক পরাজয়, সাংগঠনিক ভাঙন এবং রাজনৈতিক বৈধতা হারানোর ফলে কোনো আন্দোলন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
ফলে নেতৃত্ব ধ্বংস মানেই একটি মতাদর্শের অবসান নয়; একইভাবে কোনো মতাদর্শের অস্তিত্ব থাকলেই তা কার্যকর সামরিক বা রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে—এমনও নয়। এই পার্থক্য নীতিনির্ধারকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শুধু সামরিক সাফল্যকে চূড়ান্ত সমাধান ধরে নিলে সংঘাতের রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণগুলো অমীমাংসিত থেকে যেতে পারে, যা ভবিষ্যতে নতুন অস্থিরতা বা ভিন্ন রূপে সহিংসতার জন্ম দিতে পারে।
আরেকটি আলোচিত যুক্তি হলো, হামাসকে সব সময় একটি তাৎক্ষণিক ও অস্তিত্বগত হুমকি হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি কখনো কখনো রাজনৈতিক বর্ণনার অংশও হয়ে উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিরাপত্তা দীর্ঘদিন ধরেই একটি কেন্দ্রীয় ইস্যু, যেখানে সম্ভাব্য হুমকির মূল্যায়ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও জনমতকে প্রভাবিত করে।
অন্যদিকে হামাসও নিজেদেরকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রধান প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে সমর্থন ও বৈধতা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এই প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষই নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে প্রতিপক্ষের হুমকিকে জোরালোভাবে তুলে ধরতে পারে—এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে উত্থাপিত হয়েছে।
তবে এই ধরনের বিশ্লেষণ সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা জরুরি। কারণ হামাস অতীতে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে, আবার ইসরাইলও হামাসকে গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। ফলে কোথায় বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকির মূল্যায়ন শেষ হয় এবং কোথায় রাজনৈতিক বর্ণনা শুরু হয়—সেই সীমারেখা নির্ধারণ সবসময় সহজ নয়। তাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে নির্ভরযোগ্য তথ্য, বাস্তব পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট—সবকিছুকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
যদি হামাস সত্যিই সামরিক ও প্রশাসনিকভাবে ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে থাকে, তাহলে যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে—এই ভূখণ্ডের শাসনভার কার হাতে যাবে? কারণ কোনো শূন্যস্থান দীর্ঘদিন ফাঁকা থাকে না। বিশ্লেষকদের আলোচনায় কয়েকটি সম্ভাব্য বিকল্প উঠে এসেছে। প্রথমত, পশ্চিম তীরে কার্যরত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) আবার গাজার প্রশাসনের দায়িত্ব নিতে পারে। তবে তাদের জনপ্রিয়তা, কার্যকারিতা এবং গাজায় গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, আরব দেশ বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তত্ত্বাবধানে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, কিন্তু এর বৈধতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব অনিশ্চিত। তৃতীয় বিকল্প হিসেবে দলনিরপেক্ষ স্থানীয় টেকনোক্র্যাটদের নিয়ে একটি প্রশাসনের কথা বলা হয়, যদিও নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমর্থন ছাড়া এমন সরকার কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
আরেকটি ধারণা হলো বিভিন্ন ফিলিস্তিনি পক্ষের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় ঐকমত্যভিত্তিক প্রশাসন গঠন, যা বাস্তবায়নের জন্য গভীর রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে গাজার ভবিষ্যৎ শুধু সামরিক বাস্তবতার ওপর নির্ভর করছে না; বরং বৈধ রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা অর্জনের ওপরও নির্ভরশীল। তাই অনেক বিশ্লেষকের মতে, সামরিক বিজয় প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দেয় না; টেকসই শান্তির জন্য কার্যকর রাজনৈতিক সমাধান অপরিহার্য।
গাজার পুনর্গঠন কেবল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন ভবন, সড়ক বা হাসপাতাল নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মূলত একটি গভীর রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে পুনর্গঠনের পাশাপাশি গ্রহণযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা, কার্যকর নিরাপত্তা কাঠামো, আইনের শাসন এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে সমঝোতা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং পুনর্গঠনের অর্থের স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনাও গুরুত্বপূর্ণ।
যদি পুনর্গঠনকে শুধু অর্থনৈতিক বা অবকাঠামোগত প্রকল্প হিসেবে দেখা হয়, অথচ রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও বৈধ শাসনের প্রশ্ন উপেক্ষিত থাকে, তাহলে ক্ষোভ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং নিরাপত্তাহীনতা আবারও সহিংসতার জন্ম দিতে পারে। ফলে গাজার পুনর্গঠনকে শুধু ইট-পাথরের উন্নয়ন নয়, বরং একটি টেকসই রাষ্ট্র-গঠন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করাই অধিক বাস্তবসম্মত। এতে রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা এবং সামাজিক আস্থা পুনর্গঠনের ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সামনে অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে। দ্বিতীয়ত, গাজার প্রশাসন কে পরিচালনা করবে এবং সেই কর্তৃপক্ষের রাজনৈতিক ও জনসমর্থিত বৈধতা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। তৃতীয়ত, পুনর্গঠনের অর্থায়ন এমনভাবে কীভাবে পরিচালিত হবে, যাতে তা দুর্নীতি, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব বা নতুন সঙ্ঘাতের কারণ না হয়।
চতুর্থত, রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি, জবাবদিহি এবং সুশাসনের মধ্যে কীভাবে কার্যকর ভারসাম্য বজায় রাখা হবে। পঞ্চমত, দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান ছাড়া শুধুমাত্র সামরিক পদক্ষেপ বা নিরাপত্তাকেন্দ্রিক কৌশল স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কতটা সক্ষম—এই প্রশ্নেরও বাস্তবসম্মত উত্তর খুঁজতে হবে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক কৌশল গ্রহণই টেকসই পুনর্গঠনের পূর্বশর্ত।
এই বিশ্লেষণের সমালোচকেরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা তুলে ধরেন। তাদের মতে, চলমান যুদ্ধের মধ্যে কোনো সশস্ত্র সংগঠনের প্রকৃত সক্ষমতা নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করা কঠিন, কারণ গোপন নেটওয়ার্ক, ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো এবং সীমান্তবর্তী সমর্থন ব্যবস্থার বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রায়ই সীমিত থাকে। পাশাপাশি, সংঘাত-পরবর্তী সময়ে নতুন নেতৃত্বের উত্থান, সংগঠনের পুনর্গঠন বা কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়া যায় না।
একই সঙ্গে যদি গাজায় দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক শূন্যতা, দুর্বল প্রশাসন ও নিরাপত্তাহীনতা বজায় থাকে, তবে নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠীর আবির্ভাব বা চরমপন্থার পুনরুত্থানের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর পরিবর্তে সতর্ক, তথ্যভিত্তিক ও পরিবর্তনশীল বাস্তবতাকে বিবেচনায় নেওয়া অধিক যুক্তিসঙ্গত।হামাসের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে আসলে একটি বৃহত্তর প্রশ্ন রয়েছে-সামরিক বিজয় কি রাজনৈতিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে?
যদি কোনো সংগঠন সামরিকভাবে দুর্বলও হয়ে থাকে, তবু সঙ্ঘাতের মূল রাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক কারণগুলো অমীমাংসিত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে নতুন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, যদি সত্যিই হামাসের রাষ্ট্রসদৃশ কাঠামো ভেঙে পড়ে থাকে, তাহলে গাজার জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য, কার্যকর এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে পরবর্তী সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অতএব, হামাস "শেষ" হয়েছে কি না—এই প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কীভাবে নির্মিত হবে। সেই প্রশ্নের উত্তরই মধ্যপ্রাচ্যের আগামী দশকের নিরাপত্তা, শান্তি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, নয়া দিগন্ত