হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেছেন, ‘নারী সংস্কার কমিশনের কোরআনবিরোধী সব প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একইসাথে এ কমিশনও বাতিল করতে হবে। সরকার যদি আলেমদের কথায় কর্ণপাত না করেন এবং তাদের দাবি পূরণের চেষ্টা করেন তাহলে সরকারকে চরম খেসারত দিতে হবে।’

সোমবার (২৮ এপ্রিল) ফরিদপুর জেলার জামিয়া আরাবিয়া শামসুল উলুম, খাবাসপুর মাদরাসা মিলনায়তনে ফরিদপুর বিভাগীয় (সকল জেলার) দায়িত্বশীলদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘৩ মে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত মহাসমাবেশ দেশের তৌহিদী জনতার ঐক্য ও দাবি-দাওয়া আদায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। ইসলাম, দেশ ও মুসলিম উম্মাহর অধিকার রক্ষায় এ মহাসমাবেশ হবে ঈমানী চেতনাকে উজ্জীবিত করার এক সুবর্ণ সুযোগ। তাই ফরিদপুর বিভাগসহ দেশের প্রতিটি জেলা থেকে অধিক সংখ্যক ইসলাম প্রিয় তৌহিদী জনতার সমাগম নিশ্চিত করতে হবে। দায়িত্বশীল সবাইকে আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও ত্যাগের মনোভাব নিয়ে এ মহাসমাবেশ সফল করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’

সভায় ফরিদপুর জেলার নির্বাহী সভাপতি আল্লামা হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী বশিরুল্লাহ।

এ সময় আরো বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা ইসমাইল হুসাইন, সেক্রেটারি মুফতি কামরুজ্জামান, মাদারীপুর জেলা সভাপতি মাওলানা আলী আহমাদ চৌধুরী, সেক্রেটারি মাওলানা আকরাম হুসাইন, রাজবাড়ী জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

সভায় মহাসমাবেশে ফরিদপুর বিভাগের হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের আলেম-উলামা, ছাত্র-জনতা ও তৌহিদী জনতার অংশ নিশ্চিত করতে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা ও প্রস্তুতি নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।