প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যা মামলার আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মো: হৃদয় মিয়াজীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: ছানাউল্ল্যাহ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী। রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আসামির জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।

আসামি হৃদয় মিয়াজী কুমিল্লার তিতাস উপজেলার দুর্লব্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বনানী থানার কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব বলে জানা গেছে।

এর আগে, গত সোমবার (২১ এপ্রিল) একই আদালত এ মামলায় আরো তিন আসামির সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেদিন রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন আল কামাল শেখ, আলভী হোসান জুনায়েদ ও আল আমিন সানি। গত রোববার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ তিনজনই মামলার সন্দেহভাজন আসামি।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার পর বনানীতে প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। ওই ঘটনার এক পর্যায়ে ছুরিকাঘাতে জাহিদুল ইসলাম পারভেজ নিহত হন। এ ঘটনার পর দিন পারভেজের ফুফাতো ভাই হুমায়ুন কবির বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ও ইংরেজি বিভাগের তিন ছাত্র মাহাথি, মেহেরাব, আবুজর গিফারীসহ আটজনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।