ফু-ওয়াং ফুডসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আহমেদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সম্প্রতি ৭০ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা সিএমএম কোর্টে একটি মামলা করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই মামলার পর আবারো গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা ও অর্থ লুটপাটসহ একাধিক অভিযোগে ২৪ এপ্রিল একটি মামলা করেছে ফু-ওয়াং ফুডস কর্তৃপক্ষ। এই মামলায় আরিফ আহমেদ চৌধুরীসহ ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মো : সাইদুর রহমান, মো: মজিবুর রহমান, মো: সুলতান মাহমুদ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ‘এই মামলার এক নম্বর আসামি করা হয়েছে ফু-ওয়াং ফুডসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আহমেদ চৌধুরীকে (৫৮)।
এছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন খোকন আকন (৩৭), মো: সেলিম হোসেন (৩৫), মো: ফারুক হোসেন ( ৪৮), মুনীর হোসেন ভুঁইয়া (৫০), আশরাফুল আলম (৩৪), মো: সাদেকুল ইসলাম (৩৩), মিলন রানী সরকার (৩৮), সাইদুর রহমান (৪০), রাজিয়া বেগম (৩৫), তানভীর আহমেদ (২৩), আলমগীর হোসেন (৩৮), মো: মাহমুদ হক (৩৫), মাহবুব জামান নাহিদ (৩২), হাসান শিকদার (৩০), আপেল মাহমুদ (৩২), মো: শাহীন গাজী (৩০), মো: জাহিদ হোসেন (৪০) মো: নওয়াব আলী সোহেল (৫০), মেহেদী হাসান সুজন (৪০), মো: রানা(৩৩), মো: মজিবুর রহমান (৪৮), মো: ইজাদুর রহমান (৩৭), মো: সুরুজ্জামান হাওলাদার (২৮), মোছা: মোসুমী আক্তার (৪০), হৃদয় মাহমুদ (২২) এবং অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১৫ জন।
মামলার বিষয় জানতে চাইলে ফু-ওয়াং ফুডসের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিয়া মামুন বলেন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ আহমেদ চৌধুরী কোম্পানির ৭০ কোটি ৮৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকার ভ্যাট-ট্যাক্সসহ বিভিন্ন হিসাব বুঝিয়ে না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
আরিফ আহমেদের এসব অপকর্মের সহযোগী কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা মজিবুরসহ আরো কয়েকজন। তারা ষড়যন্ত্র করে তাইওয়ানের বিনিয়োগকারীদের যেভাবে ফু-ওয়াং এর মালিকানা থেকে সরিয়েছে। ঠিক একইভাবে আমাদেরকেও সরিয়ে পুনরায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের করে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে বলে আমার ধারণা। জাপানি প্রতিষ্ঠান মিনোরির মালিকানা থেকে সরিয়ে তারা তাদের নিজেদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ নিতে দুরভিসন্ধি করেছে বলে আমার প্রতীয়মান হয়।
এ বিষয়ে বিষয়ে জানতে আরিফ আহমেদ চৌধুরীর মোবাইল ফোনে একাধিক বার কলা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।