মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যে যৌথ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির অভিযানে ৫৮৬ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। পরে যাচাই-বাছাই শেষে ২৭০ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশির ভাগ বাংলাদেশী।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্য অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)-এর নেতৃত্বে যৌথ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দু’টি উৎপাদন কারখানা থেকে মোট ৫৮৬ জন বিদেশীকে বৈধ ভিসা যাচাই-বাছাই করার জন্য আটক করা হয়।
এ সময় অভিযানে অংশ নেয় সেলাঙ্গর রাজ্য জেআইএম অভিবাসন কর্মকর্তা, সেলাঙ্গর কেপিডিএন কর্মকর্তা, সেলাঙ্গর জেটিকে কর্মকর্তা এবং সেলাঙ্গর ইপিএফ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ৫০ জন সরকারি দফতরের কর্মকর্তার একটি দল। বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধের জন্য মোট ২৭০ জন বিদেশীকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইমিগ্রেশন তিপোতে নেয়া হয়।
আটক অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশ, নেপাল, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী নাগরিকরা ছিলেন। তবে এর মধ্য কতজন বাংলাদেশী রয়েছে তা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়নি। আটক ২৭০ জনকে ১৪ দিনের রিমান্ড ও পরবর্তী তদন্তের জন্য সেমেনিয়া রাজ্য অভিবাসন ডিপোতে পাঠানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ভ্রমণের সময়ে চলতি সপ্তাহের মধ্যে এটিই হচ্ছে সবচেয়ে বড় অপারেসি (অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান)। তবে প্রতিদিনই দেশটির কোথাও না কোথাও ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে অভিবাসীরা আটক হচ্ছে যার মধ্যে বেশির ভাগই বাংলাদেশী, যারা নানা জটিলতার কারণে অবৈধ হয়ে বৈধতার জন্য অপেক্ষা করছেন।