টানা কয়েকদিন ধরেই থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে ঢাকায়। তা সত্ত্বেও ঢাকার বাতাসে অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। যদিও গতকালের তুলনায় আজ শহরটির বাতাসে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে তা আশানুরূপ নয়।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার একিউআই স্কোর ছিল ৯৩। এই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের পঞ্চদশ স্থানে রয়েছে ঢাকা।
গতকাল একই সময়ে ঢাকার বাতাসের একিউআই স্কোর ছিল ১২৭। এই স্কোর ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত এবং বায়ুদূষণে শীর্ষ শহরগুলোর ষষ্ঠ স্থানে ছিল রাজধানী ঢাকা।
সে তুলনায় আজ সামান্য উন্নতি হয়েছে। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী ৯৩ স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ পর্যায়ে থাকলেও শহরটির বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হয়ে ওঠার থেকে খুব বেশি দূরে নেই।
এদিকে, গতকাল বায়ুদূষণে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় উঠে আসা ভারতের কলকাতার বাতাসে আজ অভূতপূর্ব উন্নতি দেখা গেছে। এক দিনের ব্যবধানে ৭৭ স্কোর নিয়ে তালিকার ২৪তম স্থানে নেমে এসেছে শহরটি। তবে আজ আবার বিশ্বের তৃতীয় দূষিত বাতাসের শহর হয়ে উঠেছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির একিউআই স্কোর ১৫৪।
একই সময়ে আজ ১৬০ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কঙ্গোর কিসশাসা এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, স্কোর ১৫৫।
কণা দূষণের এই সূচক ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘ভালো’ বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়।
এছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেয়া হয়। তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।
বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন। সূত্র : ইউএনবি