গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকালেও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি ছিল। এর প্রভাব পড়েছে ঢাকার বাতাসে, দূষণের মাত্রা অনেকটা কমেছে।

আজ সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ৫৭ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার ৫৪তম স্থানে নেমে এসেছে ঢাকা। বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, শহরটির বাতাসের মান ‘ভালো’ হয়ে ওঠার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে।

কারণ এই স্কোর ০ থেকে ৫০ এর মধ্যে হলে তা ‘ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘মাঝারি’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়।

গতকাল একই সময়ে ঢাকার স্কোর ছিল ৭৯। সে তুলনায় আজ অনেকটা উন্নতি হয়েছে। যদিও আজও শহরটির বাতাসের মান ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে, কানাডার প্রেইরি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ার প্রভাবে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে চলে এসেছে কানাডার টরেন্টো ও মন্ট্রিল শহর। আজও কানাডার বিভিন্ন শহরে অস্বাস্থ্যকর বাতাসের সতর্কতা জারি রয়েছে। ১৫৬ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে টরেন্টা এবং ১৫২ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে মন্ট্রিল।

এই স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত। ফুসফুস ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, শিশু, বয়স্ক এবং গর্ভবতী নারীরা এমন দূষিত বাতাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

একই সময়ে আজ বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। শহরটির একিউআই স্কোর ১৮৫। তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাহরাইনের মানামা, স্কোর ছিল ১৫৫।

কণা দূষণের এই সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে পরিশ্রম না করার পরামর্শ দেয়া হয়।

তবে এই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করে ৩০০-এর বেশি যেকোনো সূচক।

বাংলাদেশে একিউআই সূচক নির্ধারিত হয় পাঁচ ধরনের দূষণের ভিত্তিতে- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (এনও₂), কার্বন মনো-অক্সাইড (সিও), সালফার ডাই-অক্সাইড (এসও₂) ও ওজোন। সূত্র : ইউএনবি