কাতার চ্যারিটির উদ্যোগে বছরব্যাপী কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি শেষ হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেয়া ৫৭ জন শিক্ষার্থীর সবাইকে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে রতুল ইসলাম ও রিতা আক্তার।

সম্প্রতি কাতার চ্যারিটির সাভারের ধামরাইতে অবস্থিত মার্কাজ মুহাম্মদ বিন আজাজ আল-কুবাইসি সেন্টারে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কাতার চ্যারিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কোরআন তেলাওয়াত ও নাতে রাসূল পরিবেশন করে। এ ছাড়া কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা তুলে ধরে।

সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে পুরস্কার পাওয়া রতুল ইসলাম বলে, ‘এক বছরব্যাপী কোরআন শিক্ষা কর্মসূচি সফলভাবে শেষ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত।’

বাংলাদেশে কাতার চ্যারিটির শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্প সুপারভাইজার সাবরিন আলকায়সি বলেন, গত এক বছরে শিক্ষার্থীরা অনেক পরিশ্রম করেছে এবং কোরআন শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তাদের এই সাফল্যে আমরা গর্বিত।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দদায়ক ও সহযোগিতাপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। এতে তারা আত্মবিশ্বাসের সাথে শেখার সুযোগ পেয়েছে এবং নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

কাতার চ্যারিটির আল-ফুরকান কোরআন লিটারেসি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। কোরআন শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের নৈতিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশে সহায়তা করাও এ কর্মসূচির লক্ষ্য। সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়।