এইউবিতে ‘ফাউন্ডার অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৬ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

Printed Edition
3rd-2
এইউবিতে ‘ফাউন্ডার অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৬ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখা ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে প্রথমবারের মতো ‘এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এইউবি) ফাউন্ডার অ্যাওয়ার্ড’ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ নতুন অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

আগামী ৪ জানুয়ারি ২০২৬, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস (আশুলিয়া) আয়োজিত ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিদের উপস্থিতিতে তাদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্বীয় ক্ষেত্রে পেশাগত উৎকর্ষতা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে অনন্য ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। এ বছর সম্মাননা পাচ্ছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান (ভিসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) - শিক্ষা নেতৃত্ব, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চায় ভূমিকার জন্য। ড. মাহমুদুর রহমান (সম্পাদক, দৈনিক আমার দেশ) - সাংবাদিকতা ও মিডিয়া নেতৃত্বের জন্য। এ এন এম এহসানুল হক মিলন (সাবেক প্রতিমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়) - শিক্ষা নেতৃত্ব ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকার জন্য। অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক (চেয়ারম্যান, বাংলা একাডেমি) - বাংলা সাহিত্য ও অ্যাকাডেমিক গবেষণায় অনন্য অবদানের জন্য। ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট; চেয়ারম্যান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি) - সামাজিক সেবায় অবদানের জন্য। ড. মুহাম্মদ আবদুল বারী (যুক্তরাজ্যের মুসলিম ও বৃহত্তর কমিউনিটির নেতা; সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল, মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন) - সামাজিক সেবা ও প্যারেন্টিং শিক্ষায় অবদানের জন্য।

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তিন দশক ধরে উচ্চশিক্ষা প্রসার, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন এ অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কর্মের মাধ্যমে দেশ গঠনে অনুকরণীয় ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেয়া সম্ভব হবে। ৩০তম ফাউন্ডেশন ডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি।