দেড় দশক পর একই ফ্রেমে জনা-আরজু
Printed Edition
বিনোদন প্রতিবেদক
দীর্ঘদিন নতুন কোনো সিনেমাতে অভিনয়ে দেখা যাচ্ছে না একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা জনাকে। ২০০২ সালে চিত্রনায়িক শাকিল খানের বিপরীতে ‘হৃদয়ের বাঁশি’ সিনেমাতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়। এরপরও জনা ‘ডাক্তার বাড়ি’, ‘বিয়ের লগন’, ‘বাজাও বিয়ের বাজনা’, ‘জন্ম’, ‘ঠাণ্ডা মাথার খুনি’, ‘আসলাম ভাই’, ‘মন ছুঁয়েছে মন’সহ আরো বেশ কিছু সিনেমাতে অভিনয় করেন। এদিকে ২০০৭ সালে হাছিবুল ইসলাম মিজান পরিচালিত ‘তুমি আছ হৃদয়ে’ সিনেমাতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে আরজুর অভিষেক হয়। অবশ্য এর আগে তিনি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে অভিনয় করেছেন। মিউজিক ভিডিওতেও মডেল হিসেবে কাজ করেছিলেন। সোনু নিগমের গাওয়া ‘আমি কেমন করে নেব তোমার খবর, তোমার ভালোবাসা তুমি নিজের হাতে দিয়ে গেছ কবর’ গানটিতে মডেল হয়ে বেশ আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। এরপর আরজু ‘প্রেম বিষাদ’, ‘অবুঝ প্রেম’, ‘মন তোর জন্য পাগল’, ‘হেডমাস্টার’, ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’, ‘ছেলেটি আবোল-তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল’, ‘এই তুমি সেই তুমি’সহ আরো বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। আরজুর দ্বিতীয় সিনেমা হিসেবে মুক্তি পায় গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ হোসেন জেমি পরিচালিত ‘বাজাও বিয়ের বাজনা’ সিনেমাটি। এতে প্রধান নায়ক-নায়িকা ছিলেন রিয়াজ ও অপু বিশ্বাস। এছাড়াও পিউলি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জনা ও আবির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কায়েস আরজু। এই সিনেমা মুক্তির পর জনা ও আরজুর খুব কমই দেখা হয়েছে। তবে তিনদিন আগে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির পারিবারিক মিলনমেলায় দীর্ঘদিন পর দেখা হলো জনা ও কায়েস আরজুর। দু’জনই কুশল বিনিময় শেষে ফেলে আসা দিনের গল্পে মেতে উঠেন। জনা বলেন, ‘আরজুর সাথে একটি সিনেমাতেই আমার অভিনয় করা হয়েছে। সিনেমাটি দেড় দশক আগে মুক্তি পায়। সেই সময়টিতেও চলচ্চিত্রাঙ্গন বেশ চাঙা ছিল। আরজু ভালো মনের মানুষ। সহশিল্পী হিসেবে ভীষণ সহযোগিতাপরায়ণও বটে। আমরা একসাথে একটি ভালো গল্পের সিনেমাতে অভিনয় করেছিলাম, এটি আমাদের প্রাপ্তি। দীর্ঘদিন পর তার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল।’ কায়েস আরজু বলেন, ‘আমার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল তুমি আছ হৃদয়ে, এতে আমার বিপরীতে ছিল মুক্তি।
দ্বিতীয় মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল বাজাও বিয়ের বাজনা, এতে নায়িকা হিসেবে পেয়েছিলাম সেই সময়ের আলোচিত নায়িকা জনা। বাজাও বিয়ের বাজনাকে ঘিরে আমাদের অনেক স্মৃতি। সেই স্মৃতিই বারবার আলোচনায় চলে আসছিল যখন দেখা হলো পরিচালক সমিতির মিলনমেলায়।’