কপিরাইট আইন
লেখক-প্রকাশকের দায়িত্ব ও স্বার্থ সুরক্ষায় সেমিনার অনুষ্ঠিত
Printed Edition
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহযোগিতায় গতকাল বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় ভাবধারাপন্থী ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে লেখক-প্রকাশকের দায়িত্ব ও সংশ্লিষ্ট স্বার্থ সুরক্ষায় কপিরাইট আইন, ২০২৩ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাপুসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক, কপিরাইট স্ট্যান্ডিং কমিটির আহ্বায়ক এবং একাডেমিয়া পাবলিশিং হাউজের এমডি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল আজিজের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার এস এম আরশাদ ইমাম।
বাপুসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচালক এবং কপিরাইট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব আবুল বাসার ফিরোজ শেখের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক কপিরাইট রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত সচিব) এবং কপিরাইট বোর্ডের সদস্য মো: মনজুরুর রহমান। মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন বাপুসের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মুহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ গোলাম এলাহী জায়েদ এবং মাহমুদুল হাসান।
সেমিনারে বলা হয়, মানুষের সমাজ-সভ্যতা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক কাঠামো নির্মাণে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ (ওহঃবষষবপঃঁধষ চৎড়ঢ়বৎঃু বা ওচ)-এর অবদান অসীম ও অনস্বীকার্য। দৈনন্দিন জীবনে সভ্য ও স্বাভাবিক গতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিনিয়ত আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। সচেতন বা অসচেতনভাবে আমরা প্রতিনিয়ত ওচ ব্যবহার করি। যেমন বাস্তব সম্পদ অন্য কেউ মালিকের অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারে না, তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। সাংস্কৃতিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বিষয় হলো কপিরাইট। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে তা পাইরেসি, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বিজ্ঞপ্তি।