হাম প্রতিরোধে বুস্টার ডোজ ও গবেষণার ওপর বিএমইউ ভিসির গুরুত্বারোপ

Printed Edition
artho-3
হাম প্রতিরোধে বুস্টার ডোজ ও গবেষণার ওপর বিএমইউ ভিসির গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ‘হামের পুনরুত্থান প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার ও গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা: মিল্টন হলে শিশু বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর ভিসি অধ্যাপক ডা: এফ এম সিদ্দিকী।

ভিসি তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যেও হামের সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে, যা ইঙ্গিত করে যে মায়ের শরীর থেকে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সব ক্ষেত্রে শিশুর মধ্যে যথাযথভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় গর্ভবতী মা ও কিশোরীদের বুস্টার ডোজ প্রদানের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়নে ব্যাপক গবেষণার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরো বলেন, টিকার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

সেমিনারে শিশু অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা: মো: আতিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষজ্ঞরা জানান, হাম একটি অতিসংক্রমণশীল ভাইরাস, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করতে পারে। বর্তমানে এই রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বিএমইউতে ইতোমধ্যে আইসোলেটেড ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, জ্বর হলেই আতঙ্কিত না হয়ে চার দিন পর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিলে রোগীকে আইসোলেশনে রাখা জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে দিনে অন্তত দু’টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন অধ্যাপক ডা: আবেদ হোসেন মোল্লা।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা: জেসমিন মোরশেদ। সভায় বিএমইউর প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা: মো: মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: নাহরীন আখতারসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং আইসিডিডিআর,বির জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি।