করোনা রোগীর জন্য চমেকে আলাদা ওয়ার্ড প্রস্তুত ২টি হাসপাতাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো
Printed Edition
1st 3
রাজধানীর ডিএনসিসি হাসপাতালে বাড়ছে করোনা পরীক্ষা : নয়া দিগন্ত

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকায় দু’টি হাসপাতালকে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও খোলা হচ্ছে আলাদা ওয়ার্ড। গত বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সম্প্রতি চট্টগ্রামে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। গত এক সপ্তাহে চারজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে একজন শেষ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হন। এই পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় চমেক হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও সিটি করপোরেশন পরিচালিত মেমন হাসপাতাল-২ করোনা রোগীদের জন্য প্রস্তুত রাখা হবে। পাশাপাশি চমেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিআইটিআইডির ল্যাবে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা এখন অনেক বেশি অভিজ্ঞ। গতবারের অভিজ্ঞতার আলোকে এবার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।’

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন সভায় জানান, তাদের হাসপাতালে থাকা ডেঙ্গু ওয়ার্ডটিকে আবার করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হচ্ছে। সেখানে ৫০টি সাধারণ ও ১০টি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পাঁচ হাজার টেস্টিং কিটের চাহিদাও দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আকরাম হোসেন বলেন, ‘তাদের হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য ১৫টি সাধারণ শয্যা, ৫টি আইসিইউ শয্যা এবং অক্সিজেন সরবরাহের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা রয়েছে।’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলায় বর্তমানে ৮০ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে এবং সেগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সভায় মেয়র আরো জানান, ‘হাসপাতালগুলোতে জনবল বা যন্ত্রপাতির কোনো সঙ্কট থাকলে তা দ্রুত পূরণের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসক-নার্স এনে ঘাটতি পূরণ করা হবে।’