বিএনপির হামলায় আহত বাবা-ছেলেকে দেখতে গেলেন অধ্যাপক মুজিবুর

Printed Edition
3rd-4
আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান : নয়া দিগন্ত

রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বিএনপির হামলায় আহত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক বাবা ও ছেলেকে দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এবং রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। গতকাল দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে তাদের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন তিনি। পরে আহতদের পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে গভীর সমবেদনা জানান।

এ সময় তার সাথে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. ওবায়দুল্লাহ, তানোর উপজেলা আমির মাওলানা মো: আলমগীর হোসেন, সেক্রেটারি ডি এম আক্কাছ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ দিকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক ও সেক্রেটারি মো: গোলাম মুর্তজা। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা স্কুলপাড়া এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতা ও তার অনুসারীদের হামলায় জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক বাবা মফিজ উদ্দিন (৬২) ও ছেলে মাসিকুল ইসলাম (২৩) গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় আহত জামায়াতের সমর্থক মাসিকুল ইসলাম বাদি হয়ে শুক্রবার তানোর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আসছেন মাসিকুল ইসলাম ও তার বাবা। তাদের বাড়ি উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা স্কুলপাড়া গ্রামে। এ অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সকালে গোদাগাড়ীতে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাস্তার পাশে উপস্থিত হন মাসিকুল ইসলাম। এ সময় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক হাতেম আলী (৩৮) ও তার সমর্থকেরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালাতে মাসিকুলকে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন মাসিকুল ইসলাম। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করতে গেলে বাবা মফিজ উদ্দিনকে কোদালের হাতল ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় গ্রামবাসী তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ শহীদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।