ই ন্দো নে শি য়া র রূ প ক থা
সাগরকন্যার অ্যাডভেঞ্চার
Printed Edition
ভাষান্তর : শেখ আবদুল্লাহ নূর
(গত দিনের পর)
মেরিনতারা আতশি কাচের চাকতিটি নিজের প্রিয় একটি ঝিনুক বাক্সে রেখে দেয়। তার মন আরো অস্থির হয়ে ওঠে। মানুষের জগতটার প্রতি তার কৌতূহল বেড়ে যায়। নিশ্চয়ই সে এক রহস্যময় জগত! ‘কবি, তুমি কি জানো,’ মেরিন্তারা নরম গলায় বলে, ‘আমার মনে হয় মানুষেরা খারাপ কিছু না। হয়তো আমার বাবা লাউতান সিংহ শুধু শুধু আমাদেরকে ভয় পাইয়ে দেন। আমি তাদের জগতটাকে দেখতে চাই কবি। একবার হলেও আমি ওই জগতে যাবো। দেখে আসব কী ধরনের প্রাণী তারা।’
কাঁকড়া-কবি দীর্ঘশ্বাস ফেলে। সে জানে, লাউতান সিংগের মেয়ে সে। তার কৌতূহলী মন যা চাইবে, সেটাই করবে। তাকে দমিয়ে রাখার সাধ্য নেই কারো।
পরের দিন, মেরিন্তারা কাঁকড়া-কবিকে রাজি করিয়ে গোপনে সমুদ্রের উপরিভাগের দিকে যাত্রা করে। অবশ্য তারা জানে, এ ব্যাপারে লাউতান সিংহের কড়া নিষেধ আছে। তাই খুব সাবধানে, ধীরে ধীরে জলের স্তর পার হয়ে উপরের দিকে উঠে যায় তারা।
সমুদ্রের পানির উপরিভাগ তখন শান্ত, নীরব। (চলবে)