দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে ১৪ ভারতীয়কে পুশইনের চেষ্টা বিজিবির বাধায় ফেরত

Printed Edition
back-5
১৪ ভারতীয়কে পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির কড়া পাহারা : নয়া দিগন্ত

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ১৪ ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের বাধার মুখে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ভারতে ফেরত নিয়ে যায় তারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে রামকৃষ্ণপুর বিওপির এলাকা দিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সাড়ে ১১টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় বিজিবি।

জানানো হয়, ভারতের বাউশমারী বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত পিলার ১৫৭/১-এস এর নিকট মদনেরঘাট নামক স্থান দিয়ে ১৪ জন ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা করে। এতে ছয়জন পুরুষ, চারজন মহিলা এবং চার শিশু ছিল। এ সময় রামকৃষ্ণপুর বিওপি’র টহল সদস্যদের তৎপরতা এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বিএসএফ তাদের পুশইন করতে ব্যর্থ হয়; কিন্তু বিএসএফ তাদের পুশইনের চেষ্টা অব্যাহত রাখে এবং সীমান্ত শূন্যলাইন হতে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিজিবি টহল দল সীমান্তে শূন্যরেখা বরাবর টহল তৎপরতা বৃদ্ধি করে।

পরে পুশইনে ব্যর্থ হয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের অনুরোধ করলে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে বাংলাদেশে ভারতীয় নাগরিক পুশইনের ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদসহ দ্রুত তাদের ভারতে ফেরত নেয়ার জন্য বিএসএফের প্রতি আহ্বান জানান। পরবর্তীতে শূন্যলাইনে অবস্থানরত ১৪ ভারতীয়কে বিএসএফ ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে ১৪ ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা হলে বিজিবির টহলরত সদস্যরা তাদের বাধা দেয়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই নাগরিকদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সবধরনের সীমান্ত অপরাধ নির্মূলে বিজিবি সর্বদা চেষ্টা করে যাচ্ছে। মাদকপাচারসহ অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।