এনআইডির জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন
তারেক-জাইমাকে ভোটার তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত আজ
ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হচ্ছেন তারেক-জাইমা
Printed Edition
বিশেষ সংবাদদাতা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমান ভোটার নিবন্ধন ফর্ম জমা দিয়ে গতকাল ইসিতে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। তবে তাদের নাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত দেবে আজ নির্বাচন কমিশনের কমিশন সভা। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ভোটার তালিকা আইন ২০০৯ এর ১৫ ধারা অনুযায়ী কমিশনের এখতিয়ার আছে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক বা ভোটার হওয়া সক্ষম ব্যক্তিকে ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত করার। সেই বিবেচনায় ওনারা ঢাকা উত্তর সিটির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের গুলশান ঢাকা তালিকায় নিবন্ধন করলেন। জাতীয় সংসদের ঢাকা ১৭ আসনের ভোটার হবেন তারা।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গতকাল নিজ দফতরের সামনে ব্রিফিংয়ে একথা জানান সচিব। এ সময় এনআইডি ডিজি ও ইসির অতিরিক্ত সচিবও উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) নিবন্ধন করার জন্য তারেক রহমান অনলাইনে আবেদন দাখিল করেন। তারপর গতকাল কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বেলা ১টার সময় ইটিআই ভবনে অবস্থিত দফতরে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান এবং ছবি তুলে নিবন্ধন সম্পন্ন করেন। এর আগে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান, তার মা অধ্যাপিকা ডা: জুবাইদা রহমানের সাথে ভোটার হওয়ার জন্য ইসিতে এসে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে সাড়ে ১২টা নাগাদ চলে যান।
নিবন্ধন নিয়ে ইসি সচিব
ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া যেটা আছে সেটা আমাদের বলা হয় ফর্ম টু। ওই ফর্ম ফিলাপ করে ওনাদের ছবি তুলেছেন বায়োমেট্রিক্স দিয়েছেন। তারা আবেদন করেছেন, তাদেরকে যেন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি বলেন, কাল রোববার কমিশনের কাছে এটার ফাইল পেশ করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্তের পরে তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তারা নিবন্ধন কমপ্লিট করে গেছেন। এখন নিবন্ধন কমপ্লিট করা গেলেও এখানে আমাদের প্রসেসের এজন্য সময় লাগবে।
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, কমিশনের অনুমতি দুভাবে পাওয়া যায়। একটা হচ্ছে আনুষ্ঠানিক সভা করে, আর আরেকটি হচ্ছে নথির মাধ্যমে। এখন কমিশন যে পদ্ধতিতে অনুমোদন করবেন সেটা হবে। তিনি বলেন, আমরা নথি উপস্থাপন করব নিষ্পত্তির জন্য। কমিশন যদি বলেন যে সভা করবেন, তাহলে সভা করবেন। আর যদি মনে করেন নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া করে দিয়ে দেবেন তাও সম্ভব। এটা তো কমিশনের ব্যাপার। আমার দায়িত্বটা হচ্ছে কমিশন পর্যন্ত পৌঁছানো। এটা আগামী কালকে করব।