ইউটিউব দেখে শেখা, ২৬০ ধরনের চা বিক্রি করে সফল উদ্যোক্তা আশিক
Printed Edition
এম এ করিম সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার আশিক অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। ২০০৬ সালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে একটি ছোট চায়ের দোকান দিয়ে শুরু করা তার পথচলা, আজ তাকে সফল উদ্যোক্তার পরিচিতি এনে দিয়েছে।
ইউটিউব দেখে বিভিন্ন ধরনের চা তৈরির কৌশল শিখে ধীরে ধীরে নিজস্ব উদ্যোগকে বড় পরিসরে নিয়ে যান তিনি। মহাসড়ক সম্প্রসারণের কারণে পুরনো দোকান উচ্ছেদ হলে ২০২৩ সালে শাহবাজপুরের প্রথম গেট এলাকায় নতুনভাবে প্রতিষ্ঠা করেন ‘আশিক টি শপ’। সেখানে ২৬০ ধরনের চায়ের তালিকা সম্বলিত একটি বড় চার্ট টানিয়ে শুরু করেন ভিন্নধর্মী চা পরিবেশন। বর্তমানে সরাইলসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চা-প্রেমীদের অন্যতম আড্ডাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে আশিক টি শপ। শুধু স্থানীয়রাই নয়, নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও ভৈরবসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও অনেকে এখানে চায়ের স্বাদ নিতে আসেন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অবস্থান হওয়ায় দূরপাল্লার বাসের যাত্রীরাও নিয়মিত এই দোকানে ভিড় করেন।
আশিক জানান, সাধারণ দুধ ও লিকার চায়ের পাশাপাশি মশলা, ফল, বাদাম, তেঁতুল, ভেষজ উপাদানসহ নানা স্বাদের ২৬০ প্রকার চা তৈরি করা হয় তার দোকানে। এর মধ্যে শাহী মালাই, চকলেট মালাই, বাদামি চা, বুলেট কফি, তুর্কি চা, ডায়াবেটিক চা, রোজেলা, মাল্টা, তেঁতুল ও মসলা চায়ের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
ধরনভেদে প্রতি কাপ চায়ের দাম ১০ থেকে ১৫০ টাকা। সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দোকানে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার চা বিক্রি হয় বলে জানান আশিক।