রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে : ডা: শফিক
ক্ষমতার পালাবদলের সময় এসেছে, আমাদের সুযোগ দিন
Printed Edition
নীলফামারী ও লালমনিরহাট প্রতিনিধি
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, তিস্তা আমাদের নেয়ামত ও অহঙ্কার হওয়ার কথা। কিন্তু এই তিস্তাকে নিয়ে এখন আমাদের অনেক দুঃখ। আমরা কথা দিচ্ছি এই তিস্তাকে আমরা জীবন দিবো। এই তিস্তায় আর মরুভূমি থাকবে না। তিস্তা হবে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু। আমরা কথা দিচ্ছি রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব ইনশা আল্লাহ।
তিনি গতকাল বুধবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে তিস্তা ব্যারাজের হেলিপ্যাড মাঠে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি নীলফামারী-১ আসনে জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ আসনের অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-৩ আসনের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফি, নীলফামারী-৪ আসনের প্রার্থী হাফেজ মোহাম্মদ আব্দুল মুনতাকিম, লালমনিরহাট-১ আসনের প্রার্থী মো: আনোয়ারুল ইসলাম রাজু, লালমনিরহাট-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু ও লালমনিরহাট-৩ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।
ডা: শফিকুর রহমান বলেন, তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। কারণ আমার দেশ আগে, এ দেশের জনগণের স্বার্থ আগে। আমরা কারো স্বার্থে আঘাত দিবো না কিন্তু কেউ আগে আমাদের স্বার্থে আঘাত করলে সেটা মেনে নিবো না। এখন অনেক যৌক্তিক দাবি রয়েছে, তাদের মধ্যে বুড়িমারি স্থলবন্দর আধুনিকায়ন করতে হবে। তিস্তা পাড় থেকে বাংলাদেশের উন্নয়ন শুরু হবে ইনশা আল্লাহ, যুগ যুগ ধরে এ অঞ্চলের মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অনেকে বসন্তের কোকিলের মতো একবার দেখা দেয়। আমরা বসন্তের কোকিল না, দুঃখের সময়েও আছি, ভালো সময়েও আছি। আমরা বিপদের সময়ে দেশ ছেড়ে চলে যাই না, মাটি কামড়ে ধরে থাকি। আমরা দেশবাসীর বুকে আশ্রয় চাই।
ডা: শফিকুর রহমান বলেন, যারা জাতির সাথে দীর্ঘসময় বেঈমানি করেছে আগামীর নির্বাচন তাদের লাল কার্ড দেখানোর নির্বাচন। রাজনীতির নাম ব্যবসা নয়, চাঁদাবাজি নয়, এটি হচ্ছে রাজার নীতি। আগামী ১৩ তারিখ বাংলাদেশের পূর্ব আকাশে একটি নতুন সূর্যের উদয় হবে। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই । ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, এখন ক্ষমতার পালা বদলের সময় এসেছে। আপনারা বিশ্রামে যান, আমাদের সুযোগ দেন। আমরা কখনো দেশের মানুষকে ছেড়ে যাব না। আমরা ঘোষণা দিয়েছি উত্তরবঙ্গকে দেশের কৃষিভিত্তিক রাজধানী গড়ে তুলব। যখন কর্মসংস্থান হবে তখন সারা দেশ উন্নত হবে। এ অঞ্চলের উৎপাদিত শস্য শুধু দেশের চাহিদা নয় বিদেশে রফতানি করাও যাবে। আল্লাহ যদি আমাদের এ দেশ সেবার সুযোগ দেন। আমরা যদি আপনাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারি। দেশে যারা আছে সবাইকে নিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। সব ধর্ম-বর্ণের মানুষকে নিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। তিনি নারীদের উদ্দেশ্য বলেন, বর্তমানে মা-বোনেরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। আমরা বলে রাখি প্রয়োজনে জীবন দিব তবুও মা-বোনের ইজ্জত কাউকে কেড়ে নিতে দিবো না। এ দেশের ৯ কোটি নারী আমাদের মা তাদের শ্রদ্ধার সাথে আমরা দেখি। তারা শিক্ষিত হবেন দেশ গড়তে দায়িত্ব নিবেন। তারা কর্মস্থানে কাজ করবেন ইনশাআল্লাহ। তারা সব জায়গায় থাকবে নিরাপদভাবে কাজ করবে মর্যাদার সাথে। আমরা নারী জাতির জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।
গণভোট সম্পর্কে বলেন, আমাদের দু’টি ভোট একটি হচ্ছে গণভোট। সেখানে ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর ‘না’ মানে গোলামি। আমরা সবাই ১২ তারিখের প্রথম ভোট হ্যাঁ-তে দিবো। আমরা সবাইকে হ্যাঁ-তে ভোট দেয়ার জন্য বলব। একটি দল না ভোট দিতে বলেছিল যখন দেখে জনস্রোতে ভেসে যাবে তখন হ্যাঁ-তে ভোট দিতে বলেছে আমরা তাদের প্রতি জানাই মোবারকবাদ।
জামায়াতে ইসলামীর লালমনিরহাট জেলা শাখার আমির অ্যাডভোকেট আবু তাহেরের সভাপতিত্বে ও নীলফামারী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, টিম সদস্য আব্দুর রশীদ, নীলফামারী জেলা জামায়াতে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচন হলে আমরা কোনো দলীয় সরকার কায়েম করতে চাই না। আমরা কোনো পরিবার ও গোষ্ঠীতন্ত্র কায়েম করতে চাই না। আমরা জামায়াত ইসলামীর বিজয়ও চাই না। আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। তিনি বলেন, তিস্তা পাড় থেকে এই বিজয় শুরু হয়েছে। সারা বাংলায় এখন মুক্তির গণজোয়ার শুরু হয়েছে। এতে দেশের মেযেরাই আমাদের শক্তি জুুগিয়েছিল।
গতকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুড়িগ্রাম কলেজ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন । এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা আকতার হোসেন, জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান সরকার, জেলা জামায়াত সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন, জুলাই যোদ্ধা আরিফুল ইসলাম, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, খেলাফত মজলিসের শবেবর রহমানসহ চারটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা মাদেরকে কথা দিচ্ছি, আমাদের সবকিছুর বিনিময়ে আপনাদের চলাচলে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মা-বোনদের সম্মান করা আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
ডা: শফিক বলেন, চারদিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যা তা চালানো হয়েছে। আর একটি দল তাইরে নাইরে বলে ঝাপিয়া পড়ছে। লজ্জা, ওদের চুনুপুটিসহ বড় বড় নেতারাও গান গাওয়া শুরু করল। আমাদের সাইবার টিম তাদের শক্তভাবে ধরে ফেলেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সত্য ঢাকা থাকে না।
তিনি বলেন, রংপুর অঞ্চলের আবু সাইদ বলেছিল ভিতরে তুমুল ঝড় বুক পেতেছি গুলি কর। গুলি পিঠে নেয় নাই তিন তিনটি গুলি বুকে নিয়েছিল। এটাই বীরত্বের পরিচয়। এখান থেকে জুলাই আন্দোলন জ্বলে উঠেছিল। আপনারা বড়ই সৌভাগ্যবান।
আমরা আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন যোদ্ধা হিসেবে আবরার ফাহাদ প্রথমে শাহাদৎবরণ করেছিল। তার রাস্তা ধরে আবু সাইদের মৃত্যু। সেই রাস্তা ধরে তাদের সহযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি হয়েছেন। একে একে তারা ১৪০০ জন শহীদ হয়েছে। এই ১৪০০ বীরের লাশ এখন এই জাতির ঘাড়ে। এই ১৪০০ জন বীরের রক্ত আমাদের নদীগুলো লাল করে দিয়েছে। আমরা এই বীরদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করব না। তিনি বলেন, আমাদের নদীগুলোকে কঙ্কাল বানিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সবগুলো চোর। নদী ভাঙনরোধের জন্য যতগুলো বাজেট হয়েছে সব তাদের পেটে গিয়েছে। এই চোরেরা টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে ২৮ লাখ কোটি টাকা। আমরা যদি সুযোগ পাই তাহলে ওদের বুকের হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে। ক্ষমতায় গেলে দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জেলা কুড়িগ্রাম থেকে উন্নয়ন শুরু হবে।
১২ তারিখে এই জাতি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করে ছাড়বে
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানান, আগামী ১২ তারিখে এই জাতি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করে ছাড়বে উল্লেখ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমি বিভিন্ন জায়গায় শুনতে পাচ্ছি যারা আমাদের মতো মজলুম ছিলেন সাড়ে ১৫ বছর। তারা এখন ভিন্ন ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। মানুষকে কষ্ট দিচ্ছেন, চাঁদাবাজি করছেন, দুর্নীতি করছেন, মামলা বাণিজ্য, দখল বাণিজ্য করছেন। শুধু তাই নয়, এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য নির্বাচনী এজেন্টদের ঘরে ঘরে গিয়ে নাকি তারা হুমকি দিচ্ছেন। ভুলে যান, সেদিনের কবর রচনা হয়ে গেছে।’
আমিরে জামায়াত বলেন, ‘আমার ভোট আমি দেব তোমার ভোটও আমি দেব সেই দিন আর এখন নাই। আপনার ভোট আপনি দিবেন, আমরাটা আমি দেব। ইনশাল্লাহ, আপনার পছন্দমতো আপনার ভোট দেন, ১৮ কোটি মানুষ তাদের পছন্দমতো তাদের ভোট দিবেন। এখানে গায়ের শক্তি, কালো টাকা, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানুবারিং কিছুই মানা হবে না। যেই যুবকরা খালি হাতে বুক চিতিয়ে মুক্তি আনতে পেরেছে, সেই যুবকরা ১২ তারিখেও বিজয় লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।’
গতকাল বুধবার বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট জেলা শাখা আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। জুলাইযোদ্ধাদের সম্মান করার জন্য, তাদের আকাক্সক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। জামায়াত আমির টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।
যুবকদের উদ্দেশ করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘এদেশের যুবকরা বেকারভাতা চায় না। এই যুবকরা কাজের অধিকারের জন্য লড়াই করেছিল। আমরা কথা দিচ্ছি তোমাদের হাতকে শিক্ষা আর প্রশিক্ষণ দিয়ে ভরে দেব ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না। আমরা জাতিকে নিয়ে সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে শিশুটি উপযুক্ত শিক্ষা পাবে, উপযুক্ত নাগরিক হয়ে সুস্থভাবে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে, নিরাপদ রাষ্ট্র পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে, হাতের মধ্যে কাজ পাবে।
জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বড় মজলুুল সংগঠন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জন নেতাকে শেখ হাসিনা সরকার খুন করে নাই, আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই, আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই, আর কোনো সংগঠনের সমস্ত অফিস তালাবদ্ধ করে রাখে নাই, আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বলডুজার দিয়ে ভেঙে দেয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষপর্যন্ত নিষিদ্ধও ঘোষণা করা হয় নাই। এটাই একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে আমরা বিশ^াস করি, যারা সরকারের বাইরের বিরোধীদল ছিলাম সকলেই মজলুম ছিলেন। শুধু বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীরা মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল।’
বিভিন্ন ক্রান্তিকালে জামায়াতে ইসলামী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না যে যখন নির্বাচন আসবে তখন এসে নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো- না। আমরা তাই না।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল ড. খলিলুর রহমান মাদানী এবং জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি মো: হুমায়ুন কবীর, টাঙ্গাইল-৩ আসনের প্রার্থী এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৬ আসনের প্রার্থী ডা: এ কে এম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাওলানা শাহাবুদ্দিন, লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুঁই প্রমুখ।