বর্তমান প্রজন্মই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারি

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬-এর প্রতিপাদ্য হলো ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ের ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ এবং নিয়মিত খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ করতে গত ২ মে থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর গতকাল ২৭ জুলাই আর্মি স্টেডিয়ামে সমাপনিও করলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন একই মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মাহবুব-উল-আলম।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি খেলোয়াড়দের কাছে চলে যান। পরে পুরো মাঠ ঘুরে হাসিমুখে গ্যালারিতে থাকা ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশলবিনিময় করেন এবং খেলার বিষয়ে উৎসাহ দেন। এ সময় মাঠে অবস্থানরত আট হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে মত্ত ছিল। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

আগামীর সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মাঠেও যেন বর্তমান প্রজন্ম ভালো করতে পারে সেই প্রত্যাশাও করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনেক সমস্যা আছে, তবে এগিয়ে যেতে হবে। বর্তমান প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সে জন্য নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। তারা যে পেশায় নিয়োজিত হতে চায়, সরকার তাদেরকে সহযোগিতা করবে।

নিজের বক্তব্যের শুরুতেই সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই উপস্থিত সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, নতুন কুঁড়ির সংবাদ যেন লিড নিউজ করা হয়। এই ইভেন্টটা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। যারা প্যান্ডেলের নিচে বসে আছে, যারা গ্যালারিতে বসে আছে, তারা হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। আশা করি আপনারা মিডিয়াতে এই ভবিষ্যৎকে তুলে ধরবেন।