জুলফিকার আহমদ কিসমতীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ
Printed Edition
সাংবাদিক, লেখক, বহু ভাষাবিদ, মওলানা জুলফিকার আহমদ কিসমতীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় সাংবাদিকতা পেশায় কর্মরত থেকে প্রসিদ্ধ, মূল্যবান গ্রন্থের লেখক হিসেবে দেশ-জাতি ও ইসলামের সেবায় অবদান রেখেছেন মওলানা কিসমতী। তার প্রথম কর্মজীবন শুরু শিক্ষকতা দিয়ে।
তিনি বাংলাদেশ বেতার বহির্বিশ্ব কার্যক্রমের আরবি সংবাদ পাঠ-পর্যালোচক ও দৈনিক সংগ্রামের সিনিয়র সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য, বাংলা একাডেমির সদস্য, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সম্পাদনা পরিষদের সদস্য ও ফ্রাংকলিন পাবলিকেশন্স প্রকাশিত প্রথম বাংলা বিশ্বকোষের অন্যতম কন্টেন্ট প্রদায়ক। ‘আজাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের সংগ্রামী ভূমিকা’, ‘চিন্তাধারা’, ‘এই সময় এই জীবন’, ‘বাংলাদেশের সংগ্রামী ওলামা পীর-মাশায়েখ’, ‘মহানবী সা.’, ‘গণতন্ত্রের পহেলা শহীদ : শহীদে কারবালা’, ‘আদর্শ কিভাবে প্রচার করতে হবে’, ‘আল-কুরআনের দৃষ্টিতে সমাজসেবা’, ‘শরিয়তী রাষ্ট্রব্যবস্থা’, ‘সোভিয়েত ইউনিয়নে মুসলমান’, ‘উপসাগরীয় সঙ্কট’, ‘উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতি ক্রমবিকাশের ইতিহাস’-সহ ৩০টির বেশি মূল্যবান গ্রন্থরচনা ও অনুবাদ করেন।
নিরলস এ কর্মসাধকের ওপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবি বিভাগে এমফিল ডিগ্রি- ‘মাওলানা জুলফিকার আহমদ কিসমতী : আরবি ও বাংলা ভাষায় সাহিত্য চর্চা ও সাংবাদিকতা’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভ উপস্থাপিত হয়।
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের সন্তান কিসমতী ১৯৩৫ সালে লালমাই উপজেলাধীন কিসমত চলুণ্ডা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম নেন। ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড হসপিটালে কিডনি ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
জুলফিকার আহমদ কিসমতীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার পরিবার, শুভাকাক্সক্ষী, শুভানুধ্যায়ীর পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।