শিরোপার সুবাতাস পাচ্ছে বার্সেলোনা

Printed Edition
khela-3
গোল করার পর রাশফোর্ডকে নিয়ে উদযাপন করছেন রদ্রি ও ইয়ামাল : ইন্টারনেট

ক্রীড়া ডেস্ক

ফেরান টরেসের দুই গোল। জালের দেখা পেলেন লামিনে ইয়ামাল ও মার্কাস রাশফোর্ড। মাঝে পল লোজানো পরিশোধ করলেন একটি গোল। স্প্যানিশ লা লিগায় নগর ডার্বিতে গত পরশু এস্পানিওলকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে শিরোপার সুবাতাস পাচ্ছে বার্সেলোনা। ৩১ ম্যাচ শেষে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে আলভারো আলবেলোয়ার রিয়াল মাদ্রিদ। এ দিন পয়েন্ট টেবিলের নিচের সারির দল সেভিয়ার মাঠে ২-১ ব্যবধানে হেরে তৃতীয় স্থানে উঠা হলো না অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের। এক ম্যাচ কম খেলে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ভিলারিয়াল। তাদের চেয়ে ১ পয়েন্ট কম নিয়ে চতুর্থ অ্যাথলেটিকো।

এস্পানিওলের বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে মাঠে নেমে নতুন এক কীর্তি গড়েছেন স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামাল। সবচেয়ে কম বয়সে লা লিগায় শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করলেন বার্সার এই ফরোয়ার্ড। বয়স ১৯ পূর্ণ হওয়ার আগে স্পেনের শীর্ষ লিগে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে মথ্যাচ খেলার সেঞ্চুরি করলেন ইয়ামাল। এর আগে রাউল গন্সালেস ১০০ মথ্যাচ খেলেছিলেন ১৯ বছর ২৮৪ দিন বয়সে। ইয়ামাল তাকে ছাড়িয়ে গেলেন ১৮ বছর ২৭২ দিন বয়সে।

এ দিকে জার্মান বুন্দেসলিগার এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ড দখলে নিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ৫০ বছর আগে ১৯৭১/৭২ মৌসুমে বাভারিয়ানরা করেছিল ১০১ গোল। সেন্ট পাউলিকে ৫-০ গোলে হারিয়ে তাদের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৫। ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ে মৌসুমে শততম গোলের দেখা পেয়েছিল বায়ার্ন। আর গত পরশু সেন্ট পাউলির মাঠে ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যেই জামাল মুসিয়ালা জালের দেখা পেলে আগের ১০১ গোলের রেকর্ডে সমতা আনেন। দ্বিতীয়ার্ধে লিওন গোরেটজকার গোলে নতুন রেকর্ড। এরপর একে একে গোল করেন মাইকেল অলিস, নিকোলাস জ্যাকসন ও রাফায়েল গুয়েরেইরো। ভিনসেন্ট কোম্পানির দল ইতোমধ্যেই বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল করা দল। আর ২০২৫/২৬ মৌসুমে এখনো পাঁচটি ম্যাচ বাকি থাকায় হ্যারি কেন-অলিসরা এই রেকর্ড আরো বাড়াবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। আর লিগে ২৯ ম্যাচ শেষে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এগিয়ে চলেছে বায়ার্ন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬৪।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রিও এনগুমোহা ও মোহাম্মদ সালাহর গোলে জয়ে ফিরল লিভারপুল। মৌসুম শেষে ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দেয়ার পর অ্যানফিল্ডের দলটির হয়ে প্রথমবার গোল করলেন মিসরীয় ফরোয়ার্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলে শেষ আট ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে মাত্র দু’টি ম্যাচে। বিশেষ করে চাপে পড়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজির বিপক্ষে খারাপ পারফরম্যান্সের পর। তবে এই জয়ে লিগে শীর্ষ পাঁচে থাকার লড়াইয়ে তারা কিছুটা এগিয়ে গেল। সেই সাথে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগে পিএসজির বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে আর্নে সøটের শীর্ষরা।