ফরিদপুর-৪ আসনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

Printed Edition
banga1
ফরিদপুর-৪ আসনে ১০ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা

মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার ফরিদপুর-৪ (চরভদ্রাসন, সদরপুর ও ভাঙ্গা) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে এ আসনে বহুমুখী প্রতিযোগিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে এলাকায় প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুলের মনোনয়নপত্র চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্বপন সাহা। জানা গেছে, সোমবার সকালে শহিদুল ইসলাম বাবুল ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তার মূল মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে একই দিন বিকেলে চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তার ছায়া কপি দাখিল করেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার সাথে ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোদ্দারেস আলী ঈসা, বিএনপি নেতা আলহাজ জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া, খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম ও চরভদ্রাসন সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক ওয়াহিদুজ্জামান মোল্যাসহ বিএনপির আরো নেতারা।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন স্থপতি মুজাহিদ বেগ। শিক্ষিত ও পেশাজীবী সমাজে তার বেশ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে তার আরো সময় লাগবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

একই দিনে আরো আটজন প্রার্থী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মাওলানা সরোয়ার হোসেন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মুফতি রায়হান জামিল। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আতাউর রহমান, আবদুল কাদের মিয়া, মোহাম্মদ মুজিবর হোসেন এবং গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ তাসলিম অভি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে এবং ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।