ঈদছুটিতে সড়কে নিহত ২৩

Printed Edition
back-1
ঈদছুটিতে সড়কে নিহত ২৩

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত হয়েছেন।

ময়মনসিংহ অফিস জানায়, ঈদের ছুটিতে ময়মনসিংহে পৃথক দু’টি সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ভালুকা উপজেলায় দু’জন এবং তারাকান্দা উপজেলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন (শনিবার) দুপুরে তারাকান্দায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ দু’জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দু’জন।

নিহতরা হলেন নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার আব্দুল আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (২০) ও রীতি আক্তার (৮)। নিহত দু’জনই অটোরিকশার যাত্রী।

অন্য দিকে গত শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঈদে ঘরমুখো যাত্রী নিয়ে নালিতাবাড়িগামী দ্রুতগামী একটি বাস ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকার ভরাডোবা ক্লাবের বাজার এলাকার তাফরিদ কটন মিলের সামনে অটোরিকশা, সিএনজির ও মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে বাসের নিচে ঢুকে পড়ে এবং বাসটি রাস্তার পাশে বিদ্যুতের খুঁটির সাথে ধাক্কা লাগে। এতে তিন অটোরিকশা যাত্রী নিহত ও বাসের ৩০ জন যাত্রী আহত হন।

নিহতরা হলেন- ত্রিশাল উপজেলার কাশিগঞ্জ গ্রামের জালাল উদ্দিনের স্ত্রী মুশি আক্তার (৫০), ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার খড়মা গ্রামের লাল মাহমুদ খানের ছেলে নিজামুল ইসলাম (৪২) ও অজ্ঞাত এক অটোরিকশা যাত্রী।

পূর্বধলা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, নেত্রকোনার পূর্বধলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো: আশিক মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার ছোট ইলাশপুর এলাকার দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আশিক পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের ছোট ইলাশপুর গ্রামের মো: আহেদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে আশিক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় দুর্গাপুরগামী একটি দ্রুতগতির প্রাইভেটকার ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে সে গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার পাশে লুটিয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, নাটোরের বড়াইগ্রামে বিয়ের আগের দিন প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে রাখা ট্রাকের পিছনে ধাক্কা লেগে জুলফিকার আলী (২৯) নামে এক প্রকৌশলী নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে উপজেলার গড়মাটি এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জুলফিকার আলী জিল্লু পাবনার ঈশ্বরদী থানার নওদাপাড়া গ্রামের আনসারুল হক প্রামাণিকের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ের আগের দিন বরের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকাজুড়ে আনন্দের পরিবর্তে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, রোববার জুলফিকার আলীর গায়ে হলুদ ও সোমবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। রোববার সকালে তিনি বাড়ি থেকে নিজেই প্রাইভেটকার চালিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসা বোন-ভগ্নিপতিকে নেয়ার জন্য বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় আসছিলেন। পথে উপজেলার গড়মাটি এলাকায় প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে মহাসড়কের পাশে পার্কিং করে রাখা ট্রাকের পিছনে ঢুকে পড়ে। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পটিয়া-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা জানান, ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামের পটিয়া, বাঁশখালী ও নগরীতে শিশু ও প্রবাসীসহ পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত ও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছে। ঈদের দিন ২১ মার্চ বেলা ১১টায় পটিয়া বাইপাস ভাটিখাইন এলাকায় এক পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে বাস উল্টে পথচারী আবুল কাশেম (৬৫) ও বাসের হেলপার মো: সোলায়মান (৪০) নামে দু’জন নিহত ও ১০ বাসযাত্রী গুরুতর আহত হয়। নিহত আবুল কাশেম পটিয়া ভাটিখাইনের সুলতান আহমদের ছেলে এবং বাসের হেলপার সোলায়মান চকোরিয়া ডুলাহাজারার খলিলুর রহমানের ছেলে। পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, একটি যাত্রীবাহী বাস পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে উল্টে গিয়ে ওই পথচারীসহ দু’জন নিহত ও ১০ যাত্রী আহত হয়। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর আহত ১২ জনকে পটিয়া হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে একজন মৃত্যুবরণ করে পরে আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরেকজনের মৃত্যু হয়্ এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় বলে তিনি জানান।

অপর দিকে ২২ মার্চ বিকেলে খেলারত অবস্থায় বাঁশখালী গ্রামে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় জনি শিল (৪) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। নিহত জনি শিল পুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চিত্তরঞ্জনের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছেন, বাঁশখালী রামদাসহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক তপন কুমার বাগচি। একই দিন রাত সাড়ে ১০টায় নগরীর ফিশারিঘাট এলাকার দিকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মো: সোলায়মান (৩৫) নামে এক কাতার প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। নিহত সোলায়মান আনোয়ারা উপজেলার পশ্চিম বরুমছড়া এলাকার মনিরুজ্জামানের ছেলে বলে জানা গেছে। দুই মাস আগে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন।

নড়াইল প্রতিনিধি জানান, মাগুরা-নড়াইল আঞ্চলিক মহাসড়কের ধোন্দা কাজীপাড়া মসজিদ এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী রাব্বী মোল্যা (২০) নিহত হয়েছেন। ঈদের দিন শনিবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাব্বী নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার পান্নু মোল্যার ছেলে। এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী বন্ধু রোমান ও ভাগ্নে রেহান আহত হয়েছেন।

নিহতের পরিবার জানায়, ঈদের নামাজ আদায় করে রাব্বীসহ রোমান ও রেহান মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন। বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে নড়াইল শহরের দিকে আসার পথিমধ্যে ধোন্দা কাজীপাড়া মসজিদ এলাকায় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

লালপুর (নাটোর) সংবাদদাতা জানান, নাটোরের লালপুরে ট্রাকে চাপায় ইজি বাইকের দুই যাত্রী নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলা নবীনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম জাহিদুল ইসলাম (৫০) ও মনিরুল (২৭)। জাহিদুল উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ছোটবাদকয়া গ্রামের জোহা মাস্টারের ছেলে এবং মনিরুল একই গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে।

রাণীনগর (নওগাঁ) সংবাদদাতা জানান, নওগাঁর রাণীনগরে ঈদের আনন্দ করতে ঘুরতে বেড়িয়ে ভটভটি উল্টে হৃদয় হোসেন (১১) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ সময় অন্তত আরো আটজন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনকে গুরুত্বর অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত হৃদয় উপজেলার আমিরপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে উপজেলার ভাটকৈ গ্রামে।

নিহত কিশোর হৃদয়ের চাচা জামাল উদ্দীন জানান, শনিবার ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে গ্রামের ২০-২৫জন কিশোর ভটভটি ভাড়া করে ভটভটিতে দু’টি সাউন্ডবক্স নিয়ে গান বাজিয়ে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে উৎসব করছিল। এর পর রাত অনুমান পৌনে ৯টা নাগাদ বাড়ী ফেরার পথে এলাকার ভাটকৈ গ্রামের খগেনের মোড় এলাকায় পৌছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভটভটি উল্টে সড়কের পাশে খালে পড়ে যায়। এতে ভটভটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই হৃদয় হোসেন মারা যায়।

বগুড়া অফিস জানায়, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে উৎসব (১৩) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের কদমকুড়ি- পেংহাজকি আঞ্চলিক সড়কের ধুন্দার বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত উৎসব বুড়ইল ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্রের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে উৎসব সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে পাশের বনকুড়ইল গ্রামে হরিবাসরে যোগ দিতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে ধুন্দার বাজার এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

বান্দরবান প্রতিনিধি জানান, বান্দরবানে পর্যটকবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহাড়ি গভীর খাদে পড়ে নারী পুরুষসহ অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে সকালে ঢাকা থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে ছেড়ে আসা সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস সুয়ালক বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৪০ জন যাত্রী নিয়ে সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাস ঢাকা থেকে বান্দরবানে আসছিল। রোববার (২২ মার্চ) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসটি জেলা সদরের সুয়ালক বিশ^বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে পাহাড়ী আঁকাবাঁকা ঢালু নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের ভেতরে থাকা বেশির ভাগ যাত্রীরা গুরুতর আহত হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে মিলন চন্দ্র দাশ (২৬), রিমন দাশ (২৭), রিয়াদ (২৫) ও নাফি রিজুয়ান (২৮) তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

সিলেট ব্যুরো জানায়, ঈদের ছুটিতে সিলেট বিভাগে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। ঈদের পরদিন রোববার হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে নারী-শিশুসহ চারজন ও সুনামগঞ্জে গাছের সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন একজন। রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কে শান্তিগঞ্জ উপজেলার গাগলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- শান্তিগঞ্জের মুক্তাখাই গ্রামের আক্কেল আলীর ছেলে মোটরসাইকেলচালক সাইদুল ইসলাম (৩০) ও একই গ্রামে মৃত উকিল আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (২৮)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে তাহিরপুরের পর্যটনকেন্দ্র শিমুল বাগানে ঘুরতে যাওয়ার জন্য রওনা দেন সফিকুল। পথে সুনামগঞ্জ-দিরাই সড়কে গাগলী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারানো তাদের মোটরসাইকেলটির গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেলের সামনের অংশ ভেঙে যায়। আর সফিকুলের হাড় ভেঙে গাছে ঢুকে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন। তার দুই বন্ধুর মধ্যে সাইদুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ওখানে বিকেল ৫টায় চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরেক বন্ধু গুলজার আহমদকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের মাধবপুরে পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে নারী ও শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে উপজেলার আন্দিউড়া এলাকারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- পিকআপ চালক ইব্রাহীম (৩৫) তার বাড়ি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায়। কিশোরগঞ্জের সজিব (১২) ও তার মা আসমা আক্তার (৪০)। এছাড়া একজন পুরুষের পরিচয় মেলেনি।