ফ্যাসিবাদ পরবর্তী সমাজ গঠনে চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন : গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
Printed Edition
3rd-1
ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার : নয়া দিগন্ত

ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে চিকিৎসকদের সম্মানে রমজান কনফারেন্স ও গ্র্যান্ড ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই সম্মেলনে চিকিৎসকদের মানবসেবার ভূমিকা, স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ এবং সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন এনডিএফের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি চক্ষু বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা: এমজি ফারুক হোসেন। সঞ্চালনা করেন এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ইএনটি সার্জন ডা: মারুফ শাহরিয়ার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর আমির ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, এনডিএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ডা: নজরুল ইসলাম ।

মূল আলোচক ছিলেন ইসলামিক স্কলার ও মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার প্রধান মহাদ্দিস মুফতি ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার। তিনি রমাদান ও মানবসেবার তাৎপর্য বিষয়ে আলোকপাত করেন এবং চিকিৎসকদেরকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ফ্যাসিবাদ পরবর্তী সমাজ সংস্কার ও পুনর্গঠনে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি স্বাস্থ্যসেবা খাতে নীতিমালা প্রণয়ন এবং চিকিৎসকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। নুরুল ইসলাম বুলবুল জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, চিকিৎসকদের উচিত বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করা।

অধ্যাপক ডা: নজরুল ইসলাম চিকিৎসকদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ে সর্বদা সোচ্চার থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, একজন চিকিৎসক শুধু রোগ নিরাময়কারী নন, বরং সমাজ বিনির্মাণেও তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন।