কুয়েতে নির্যাতিত ৭ নারী কর্মীকে দেশে ফেরত দূতাবাসের সতর্কতা

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ থেকে নারী গৃহকর্মী কর্মী পাঠাতে কুয়েত সরকারের সাথে এখনো দ্বিপক্ষীয় কোনো চুক্তিই হয়নি। তারপরও দালালের খপ্পরে কিছু নারী অবৈধভাবে গৃহকর্মী পেশায় কুয়েতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস সাতজন নারী কর্মীকে প্রশাসনের সহায়তায় উদ্ধার করে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে।

দূতাবাস থেকে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্বাক্ষর সই না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত নারী কর্মীদের গৃহকর্মী ভিসায় কুয়েতে যেন না আসে। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ নিয়ে সতর্কতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

গত ২ জুলাই কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাসের নিজস্ব ফেসবুক পেজে দেয়া সতর্কতামূলক পোস্টে উল্লেখ করা হয়, গত তিন মাসেই অন্তত সাতজন নারী গৃহকর্মী কুয়েতে এসে মারাত্মক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। পরে তাদের স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় বাংলাদেশ দূতাবাস উদ্ধার করে প্রথমে নিরাপদ হেফাজতে নেয়। এরপর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

ভবিষ্যতে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা প্রতিরোধে অসাধু চক্রের প্রলোভন থেকে সবাইকে সাবধান থাকতে এবং অবৈধভাবে নারী কর্মী প্রেরণের সাথে জড়িত সিন্ডিকেটকে রুখতে সামাজিক সচেতনতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে দূতাবাসের পক্ষ থেকে। একই সাথে এই অসাধু চক্রের কোনো তথ্য কারো কাছে থাকলে সেটি বাংলাদেশ দূতাবাসকে অথবা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতেও প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। এ দিকে দেশে ফেরত এসে নির্যাতিত ওই নারী কর্মীরা দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা তা জানা যায়নি।