কালীগঞ্জে জামায়াতের নারী কর্মীদের হিজাব ও নিকাব ছিঁড়ে হেনস্তা

Printed Edition

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি

গাজীপুর-৫ সংসদীয় আসনের কালীগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারণাকালে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের হিজাব ও নিকাব ধরে টানাটানি করে প্রকাশ্যে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির প্রার্থীর সমর্থক স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছে জামায়াত।

গত বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের বিরতুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল মিয়া ও যুবদল নেতা রুবেল মিয়া। তাদের সাংগঠনিক পদবি তাৎণিকভাবে জানা যায়নি।

জামায়াত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খায়রুল হাসানের স্ত্রী মাহমুদা সুলতানা ডেইজির নেতৃত্বে নারী কর্মীদের একটি দল বিরতুল এলাকায় ভোট প্রার্থনায় অংশ নেয়। একপর্যায়ে তারা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সোহেল মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছলে সেখানে উপস্থিত থাকা রুবেল মিয়াসহ অভিযুক্তরা প্রথমে প্রচারণায় বাধা দেন। পরে হিজাব ও নিকাব ধরে টানাটানি করে নারী কর্মীদের হেনস্তা করা হয়।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে আশপাশ থেকে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় উভয় পরে মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গেছে, ওই সময় অভিযুক্তরা মা চান।

প্রাথমিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা হলেও ঘটনার প্রতিবাদে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা পরে বিােভ মিছিল করেন। নারী নিরাপত্তা ও অবাধ নির্বাচনী প্রচারণা নিশ্চিতের দাবি জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কালীগঞ্জ থানার ওসি জাকির হোসেন বলেন, প্রচারণাকে কেন্দ্র করে দুই পরে মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।