থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেয়া কমপক্ষে ৪০ জন উইঘুরকে চীনে নির্বাসনে পাঠানোয় দেশটির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শুক্রবার (১৪ মার্চ) ভিসা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘উইঘুর ও অন্যান্য গোষ্ঠীগুলোকে জোরপূর্বক চীনে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টিতে চীনের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেখানে তাদের ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক গুম করা হচ্ছে।’

থাইল্যান্ড ও অন্যান্য দেশগুলোকে এই ধরনের নির্বাসন থেকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, যদি উইঘুরদের ফিরিয়ে আনা হয় তাহলে তারা নির্যাতন, দুর্ব্যবহার ও ‘অপূরণীয় ক্ষতির’ ঝুঁকিতে থাকবে। তবুও এক দশক ধরে আটক উইঘুরদের থাইল্যান্ড ফেব্রুয়ারিতে চীনে ফেরত পাঠায়।

রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘২৭শে ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ড থেকে ৪০ জন উইঘুরকে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর জন্য দায়ী বা এর সাথে জড়িত থাইল্যান্ড সরকারের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপের পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমি অবিলম্বে এই নীতি বাস্তবায়ন করছি।’

রুবিও বলেন, ‘উইঘুরদের বিরুদ্ধে চীনের দীর্ঘস্থায়ী গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের আলোকে আমরা বিশ্বজুড়ে সরকারগুলাকে জোরপূর্বক উইঘুর ও অন্যান্য গোষ্ঠীগুলোকে চীনে ফেরত না পাঠানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞাগুলো অনুমোদিত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ওপরও প্রসারিত হতে পারে।

সূত্র : রয়টার্স