দক্ষিণ ও মধ্যপশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রে বিস্তৃত এলাকায় টর্নেডো হানায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া গেছে। পূর্ব উপকূলগামী একটি শৈত্যপ্রবাহের কারণে নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার দুপুর পর্যন্ত ফ্লোরিডা, জর্জিয়াসহ আরো পাঁচটি রাজ্যে বিশেষ টর্নেডো সতর্কতা জারি ছিল। অতিবিপজ্জনক অঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অথবা মাটির নিচে সুরক্ষিত আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার থেকে অন্তত ৪০টি ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব চলেছে বলে জানা গেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত অন্তত দেড় লাখ বাড়িতে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ আছে।
মিসৌরিতে ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি
সরকারি মতে, সব থেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মিসৌরিতে। সেখানে ১২ জন নিহত এবং আহতের সংখ্যা এর বেশি বলে জানানো হয়েছে।
মিসৌরি পুলিশ জানিয়েছে, টর্নেডোর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহের তার ছিঁড়ে এবং গাছ ভেঙে পড়ায় স্থানীয় বাড়িঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে, কানসাসে আটজন নিহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ব্যাপক ধুলোঝড়ের কারণে প্রায় ৫০টিরও বেশি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
একইরকম ধুলোঝড়ে দক্ষিণ টেক্সাসে দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে। ভয়াবহ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তৃত অঞ্চল।
অ্যালাবামায় অন্তত দু’জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার গভর্নর।
অন্যদিকে টর্নেডোয় ইলিনয় এবং মিসিসিপিতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
তিনজন নিহত হয়েছে আরকানসাসে। সেখানকার গভর্নর হাকাবি স্যান্ডার্স এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন যে, ওই অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। একইসাথে দুর্যোগ ও ত্রাণ খাতে আড়াই লাখ মার্কিন ডলার ধার্য করা হয়েছে।
জর্জিয়ার গভর্নর ব্রায়ান কেম্প তার স্টেটে আপৎকালীন সতর্কতা জারি করেছেন।
সূত্র : ডয়চে ভেলে