শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। এতে নিহত হয়েছেন ৩৪ জন। টর্নেডোর আঘাতে গাড়ি উল্টে গেছে এবং ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। এর মধ্যে কেবল মিসৌরি রাজ্যেই ১২ জন মারা গেছেন।

এদিকে কানসাসে ধুলোর ঝড়ের কারণে ৫৫টিরও বেশি যানবাহন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবার আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ডেভিড রথ বলেছেন, শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে ২৬টি টর্নেডোর খবর পাওয়া গেছে। তবে আঘাত হানার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি কারণ নিম্নচাপের কারণে আরকানসাস, ইলিনয়, মিসিসিপি ও মিসৌরির কিছু অংশে শক্তিশালী বজ্রপাত হয়েছে।

ট্র্যাকার পাওয়ারআউটেজ অনুসারে, রোববার রাত পর্যন্ত মিশিগান, মিসৌরি ও ইলিনয়সহ সাতটি রাজ্যে আড়াই লাখেরও বেশি বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন ছিল।

এই অঞ্চলে আরো তীব্র আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। পূর্ব লুইসিয়ানা, পশ্চিম জর্জিয়া, মধ্য টেনেসি ও পশ্চিম ফ্লোরিডা প্যানহ্যান্ডেল জুড়ে টর্নেডো সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

রাজ্যজুড়ে বেশ কয়েকটি টর্নেডো ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে মিসিসিপিতে ছয়জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন গভর্নর টেট রিভস।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তীব্র আবহাওয়া অব্যাহত থাকায় মধ্য মিসিসিপি, পূর্ব লুইসিয়ানা ও পশ্চিম টেনেসিতে আকস্মিক বন্যা ও বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি আলাবামা ও আরকানসাসের কিছু অংশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, আকস্মিক বন্যা মারাত্মক হতে পারে। শনিবার রাতে আলাবামা জুড়ে একাধিক টর্নেডো সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

মিসৌরির গভর্নর মাইক কেহো বলেছেন, 'রাজ্যটি প্রচণ্ড ঝড় ও টর্নেডোতে বিধ্বস্ত হয়েছে, যার ফলে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং প্রাণহানি ঘটেছে।’

সূত্র : রয়টার্স/বিবিসি