মার্কিন স্বাস্থ্য গবেষণাকেন্দ্র জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা বিশ্বজুড়ে দুই হাজারেরও বেশি কর্মী ছাঁটাই করবে। ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক সাহায্য তহবিলে ব্যাপক হ্রাসের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দিয়েছে।

শীর্ষস্থানীয় বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘আমাদের সমগ্র সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি কঠিন দিন। ইউএসএইড ৮০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি তহবিল বন্ধ করে দেয়ায় আমরা গুরুত্বপূর্ণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছি।’

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড রাজ্যের বৃহত্তম শহর বাল্টিমোরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ৪৪টি দেশের প্রকল্পগুলোতে কমপক্ষে এক হাজার ৯৭৫ জন ও যুক্তরাষ্ট্রে ২৪৭ জন কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্বান্ত নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টা প্রযুক্তিবিদ ইলন মাস্ক ফেডারেল ব্যয় কমানোর জন্য বিদেশী সাহায্য, গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএইড) সহায়তা তহবিল বন্ধ করে দিয়েছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি।

মার্চের শুরুর দিকে জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রোনাল্ড ড্যানিয়েলস ছাত্র ও অধ্যাপকদের উদ্দেশ্যে দেয়া এক বার্তায় বলেন, গত বছর তাদের প্রাপ্ত তহবিলের প্রায় অর্ধেকই ফেডারেল অর্থ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রথম মার্কিন গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যবিধি ও চিকিৎসা উন্নত করার জন্য পরিকল্পিত কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থী, গবেষক ও অধ্যাপকদের ক্ষতি হবে।

বৃহস্পতিবারের ঘোষণা নিশ্চিত করেছে যে, এই কাটছাঁট বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল স্কুল ও পাবলিক হেলথ স্কুলের পাশাপাশি ৫০ বছরেরও বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশ্বব্যাপী অলাভজনক সংস্থা জাপাইগোর ওপরও প্রভাব ফেলেছে। সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী দেশগুলোতে স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য কাজ করে।

সূত্র : বাসস