সুদানের অবরুদ্ধ শহর আল-ফাশিরে আধাসামরিক বাহিনীর গোলাবর্ষণে ৩০ জনেরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো কয়েক ডজন।

সোমবার (২১ এপ্রিল) দেশটির মানবাধিকার কর্মীদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি।

এর আগে, রোববার সংঘটিত এই হামলায় ভারী কামান ব্যবহার করা হয়েছিল। শহরের আবাসিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রতিরোধ কমিটি। এটি সুদানজুড়ে সাহায্য সমন্বয়কারী শত শত স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি।

সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফের) মধ্যে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। জাতিসঙ্ঘের মতে, সংঘাতের ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। দেশটির উত্তর দারফুর প্রদেশের রাজধানী আল-ফাশির বিশাল দারফুর অঞ্চলের শেষ প্রধান শহর যা আধাসামরিক গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেনি।

জাতিসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, আরএসএফ গত সপ্তাহে শহর ও কাছাকাছি দুটি বাস্তুচ্যুত শিবির- জমজম ও আবু শৌকে নতুন করে আক্রমণ শুরু করে। এতে ৪০০ জনেরও বেশি নিহত এবং প্রায় চার লাখ লোক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।

রক্তক্ষয়ী স্থল আক্রমণের মাধ্যমে আরএসএফ জমজম শিবিরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। সাহায্য কর্মীরা বলছেন, সেখানে প্রায় দশ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল। জাতিসঙ্ঘের মতে, অধিকাংশ বাস্তুচ্যুত মানুষ উত্তরে আল-ফাশির শহরে, অথবা ছোট শহর তাওইলা থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে পালিয়ে যায়।