আনুষ্ঠানিকভাবে ইনোভেশন সামিট-২০২৫ চালু করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি’র মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন প্ল্যাটফর্ম বিডিঅ্যাপস। প্লাটফর্মটি স্থানীয় ডেভেলপারদের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় টুল, রিসোর্স এবং সহায়তা প্রদান করে থাকে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের তরুণ ডেভেলপার ও প্রযুক্তিপ্রেমীরা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের ডিজিটাল সল্যুশন উপস্থাপন করতে পারবেন।

সোমবার (৬ মে) রাজধানীতে রবি করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম মনিরুজ্জামান বিডিঅ্যাপস ইনোভেশন সামিট-২০২৫-এর ওয়েবসাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার (সিসিও) শিহাব আহমাদ, চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, জেনারেল ম্যানেজার (ভিএএস অ্যান্ড নিউ বিজনেস) শফিক শামসুর রাজ্জাক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক বলেন, ‘বিডিঅ্যাপস তরুণ যুব সমাজকে অনুপ্রাণিত করতে এই ইনোভেশন সামিট আয়োজন করছে, যা তাদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়াবে। আশা করছি, এই ধরনের আয়োজন আমাদের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে শক্তিশালী ও উদ্ভাবনী চিন্তাধারাকে আরো বেগবান করতে সহায়ক হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে রবি আজিয়াটা পিএলসির সিসিও শিহাব আহমাদ বলেন, ‘বিডিঅ্যাপসের প্রতিশ্রুতি হচ্ছে উদ্ভাবনকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং বাংলাদেশের জন্য একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা।’

সিসিআরও সাহেদ আলম, দেশের প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমে বিডিঅ্যাপসের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, ‘বিডিঅ্যাপস বাংলাদেশের প্রযুক্তি শিল্পকে নতুন রূপ দেয়ার পাশাপাশি তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার পথও প্রশস্ত করছে।’

রবি আজিয়াটা পিএলসির জেনারেল ম্যানেজার শফিক শামসুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিডিঅ্যাপস ইনোভেশন সামিট হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে তরুণরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বাস্তবমুখী বিষয়ে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তাদের ডিজিটাল আইডিয়া উপস্থাপন করতে পারবেন। এ প্ল্যাটফর্ম তরুণদের আইডিয়া বাস্তবায়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সামিটের মূল লক্ষ্য হলো ইনোভেটিভ ডিজিটাল সল্যুশন ডেভেলপমেন্টকে আরো গতিশীল করা এবং দেশের প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমের সমৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা।

কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে বিডিঅ্যাপস ইনোভেশন সামিট প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীরা bdappsinnovationsummit.com ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে তাদের আইডিয়া জমা দিতে পারবেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিশেষজ্ঞ বিচারক প্যানেল শীর্ষ দলগুলো নির্বাচন করবেন। ওই দলগুলো আগামী ১৯ জুন গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশগ্রহণ করবে। সেখানে প্রতিযোগীদের দেয়া উদ্ভাবনী সমাধানগুলোর গ্রহণযোগ্যতা ও সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করবেন বিচারকরা এবং উপস্থিত দর্শকদের কাছে তুলে ধরা হবে।

প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারের অর্থ পাঁচ লাখ টাকা। এছাড়াও সব ফাইনালিস্ট পাবে সার্টিফিকেট ও বিডিঅ্যাপস ইকোসিস্টেম ইন্টিগ্রেশন।