জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, ভাঙারি ব্যবসায়ী মো: সোহাগকে চাঁদা না দেয়ার কারণে জনসম্মুখে প্রকাশ্যে ইট পাথর দিয়ে হত্যা অত্যন্ত নির্মম এবং বর্বর। হত্যার পরে লাশের উপর নৃত্য আওয়ামী জাহেলিয়াতের লগি-বৈঠাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশে মিডফোর্ড হত্যাকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জাগপা’র মাসব্যাপী কর্মসূচির ১২তম দিন ১২ জুলাই খুলনার রয়েল মোড়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ শেষে পথসভার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা একটি স্বৈরাচারমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। যেই বাংলাদেশ ভারতের করদ রাজ্য হবে না, যেই বাংলাদেশে থাকবে না বৈষম্য, চাঁদাবাজি, রাহাজানি, গুম, খুন। হিন্দুস্তানের ষড়যন্ত্র, আওয়ামী নৈরাজ্য এবং নতুন করে সৃষ্টি হওয়া সন্ত্রাস আমাদের সম্মিলিতভাবে রুখে দিতে হবে। নতুবা জুলাই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে।

ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে, গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার এবং সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি নিয়ে দেশব্যাপী গণসংযোগ এবং অগাস্ট মাসের ৬ তারিখ খুনি হাসিনাকে ফেরতের দাবিতে ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাগপা।

গণসংযোগে শেষে পথসভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন প্রধান, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, নিজামুদ্দিন অমিত, ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার, যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউল আনোয়ার, জাগপা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী, খুলনা জাগপা সমন্বয়ক মুস্তাজুল ইসলাম মুস্তফা, সাতক্ষীরা জাগপা সমন্বয়ক আতাউর রহমান ফারুকী, খুলনা জাগপা নেতা আবিদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার প্রমুখ।