যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বুধবার (২৬ মার্চ) নৌ অঞ্চলগুলোতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।
জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন নৌ অঞ্চলগুলোতে মসজিদে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইএসপিআর জানায়, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা নৌ অঞ্চলের জাহাজ ও ঘাঁটিগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নেভি এ্যাংকরেজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শিশু নিকেতনে যথাক্রমে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং মোংলায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, কুচকাওয়াজ এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ে বিজয়ী প্রতিযোগীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য পরিচালিত বিশেষায়িত স্কুল ‘আশার আলোর’ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
আইএসপিআর জানায়, দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম নেভাল জেটিতে বানৌজা সমুদ্র অভিযান, সদর ঘাট ঢাকায় বানৌজা চিত্রা, পাগলা নেভাল জেটি নারায়ণগঞ্জে বানৌজা অতন্দ্র, বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ টার্মিনাল খুলনায় বানৌজা অপরাজেয়, নেভাল বার্থ দিগরাজে বানৌজা ধলেশ্বরী, মেরিন ওয়ার্কশপ জেটি বরিশালে বানৌজা পদ্মা এবং বিআইডব্লিউটিএ ঘাট চাঁদপুরে বানৌজা শহীদ ফরিদ দুপুর ১২টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়।
দর্শনার্থীরা নৌবাহিনীর জাহাজ পরিদর্শন করতে পেরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে নৌ অঞ্চলগুলোতে সকল জাহাজ ও ঘাঁটিতে পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হয় এবং সন্ধ্যা হতে মধ্যরাত পর্যন্ত আলোকসজ্জা করা হয়। পাশাপাশি চট্টগ্রামে অবস্থিত মেরিটাইম মিউজিয়াম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।