গাজীপুরের শ্রীপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গীতা পাঠ, ধর্মীয় আলোচনা সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় ভাওয়াল রাজাবাড়ী হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে রাজাবাড়ী বাজার কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দিরে কর্মসূচি পালন শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, এই দেশকে নিজেদের দেশ মনে করতে হবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই দেশ অর্জন করেছি। ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে আমরা এ দেশ অর্জন করেছি। ফ্যসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি ১৭ বছর আন্দোলন করেছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভুত্থানে হাজার হাজার নেতাকর্মীসহ ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন সার্বভৌম এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ আমরা পেতে যাচ্ছি। কাজেই এই দেশ কিছু দুর্নিতিবাজ, মাদকসেবী, দুয়েকজন সন্ত্রাসী এবং তাদের সহযোগী অসৎ লোকের জন্য আমরা এই দেশকে নষ্ট হতে দেব না। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের কল্যাণে এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করব।
সংগঠনের সভাপতি বাবু অরুন চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বাবু পিযুষ কুমার ঘোষ লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু অরুন কুমার মল্লিকের যৌথ পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, সদস্য সচিব খায়রুল কবির মন্ডল আজাদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা বাবু উমা কান্ত মল্লিক।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজাবাড়ী বাজার কেন্দ্রীয় দূর্গা মন্দিরের সভাপতি বাবু অশোক কুমার শর্মা, প্রাণী সম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রিন্সিপাল সাইন্টেফিক অফিসার ডা: অজিত দেবনাথ, গাজীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি বাবু অনন্ত কুমার সরকার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু সুবৃত কুমার পাল, জেলা বিএনপির সদস্য বাবু আভিষেক দেবনাথসহ স্থানীয় সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ও শিক্ষার কথা উল্লেখ করে সমাজে সত্য, ন্যায় ও ধর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। দিনব্যাপী উৎসবে মন্দির এলাকায় ভক্তিমূলক সঙ্গীত পরিবেশনা, পূজা অর্চনা ও শোভাযাত্রায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।