নারায়ণগঞ্জের বন্দরের দক্ষিণ লক্ষণখোলা এলাকায় গণপিটুনিতে অজ্ঞাত ডাকাত দলের সদস্য (৩৩) নিহত হয়েছেন।

আজ সোমবার ভোরে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডাকাত সদস্য নিহত হয়।

এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জনকে আটক করেছে। আটকরা হলেন- সোহান (৩০) ও সানী (২৫)।

এর আগে, রোববার দিবাগত গভীর রাতে বন্দরের দক্ষিণ লক্ষণখোলা মাদরাসা স্ট্যান্ডে জ্বালানি তেলের দোকান আহাম্মেদ ট্রেডার্সে ডাকাতির সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে এক ডাকাত গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হলে পুলিশ খবর পেয়ে আহত ডাকাতকে বন্দর উপজেলা স্ব্যস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দিলে সেখানে সে মারা যায়।

জ্বালানি তেলের দোকানের কর্মচারী সানী জানান, তারা দোকানে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ছয়জনের ডাকাত দল এসে দোকানের তালা ভেঙ্গে দোকানে ডুকে তাদের মারধর করে। এ সময় তারা চিৎকার দিলে এলাকাবাসী জড়ো হলে ডাকাতরা পালানোর সময় দুইজনকে জনতা ধরে ফেলে এ সময় তাদের গণপিটুনি দেয়ার সময় একজন কৌশলে পালিয়ে গেলেও একজন জনতার গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে আহত ডাকাতকে হাসপতালে নিয়ে চিকিৎসা দিলে ডাকাত সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

এ ব্যপারে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ডাকাতি নাকি চুরি তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দোকানের মালিক সোহান ও কর্মচারী সানীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তবে ডাকাতের পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ ব্যপারে ঘটনাস্থলে আসা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, সার্ভার সমস্যার কারণে তাৎক্ষনিক পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। আমরা নিহতের আঙ্গুলের ছাপ সংগ্রহ করেছি। ঢাকায় নিয়ে তা পরীক্ষা করে পরিচয় শনাক্ত করা হবে।’