বছরের প্রথম কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডব দেখেছে সাভারবাসী। তবে ঝড় সাড়ে ৬টা থেকে ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ঝড়ের তীব্র গতিবেগ ছিল। আশুলিয়া এলাকায় এর ব্যতিক্রম হয়েছে। এখানকার বেশিরভাগ স্থানে থেমে থেমে প্রায় দু’ঘণ্টা দমকা হাওয়া, শিলা বৃষ্টি ও বজ্রপাত হয়েছে।
শনিবার (৫ এপ্রিল) সাভার পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এ খবর পাওয়া গেছে।
ধামসোনা এলাকায় বজ্রপাতে দু’জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে এক নারীকে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
আশুলিয়ার বসুন্ধরা এলাকার বাসিন্দা ও পল্লী বিদ্যুত অফিসের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা শাকিলা খাতুন জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত তাদের এলাকায় শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে।
বাইপাইল এলাকার বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন মণ্ডল জানান, তার এলাকাসহ বগা বাড়ী, জামগড়া, গাজীর চট, কাইচা বাড়ি, ডিইপিজেড, নরসিংহ পুরসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচুর শিলা বৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ঝড়ো হাওয়ার গতি বেগের ফলে বিদ্যুতের তারের ওপরে কয়েক জায়গায় গাছের ডাল ভেঙে পড়েছে। এতে অনেক স্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর থেকে কোথাও দু’ঘণ্টা আবার কোথাও তিনঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না, সাভার ও আশুলিয়া শিল্প অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকায়ও একই অবস্থা দেখা গেছে। তবে কয়েক স্থানে বিদ্যুতের তারে বড় বড় গাছের ডাল পড়ায় তাৎক্ষণিক সংযোগ দেয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুত কর্মীরা। এ ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে ফসলের ক্ষেত ও সাভারের গোলাপ গ্রামের অর্ধশত একর গোলাপ ফুলের বাগান নষ্ট হয়ে গেছে। সাভার পৌর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে রাত ৮টার পর বিদ্যুৎ আসে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে কিছু কাঁচা মাটির ঘর ধসে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষক তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, কালবৈশাখী ঝড় সম্পর্কে আবহাওয়া অফিসের কোনো পূর্বাভাস ছিল না। ঝড়ের গতিবেগ কত মাত্রায় ছিল তা জানতে আবহাওয়া অফিসে ফোন দিলে কেউ ফোন রিসিভ করেননি।