চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পশ্চিম বাড়ান্দী মাঠে ৫৮ শতক জমির ৬ মাস বয়সী পেয়ারা গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দেয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় তাদের ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রতিপক্ষরা জমি দখল করে নিতেই এ ধরনের কাজ করেছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি।
জীবননগর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পশ্চিম বাড়ান্দী গ্রামের মৃত সুলতান মোল্যার ছেলে আব্দুর রশিদ (৩৮) জানান, ১৯৮৫ সালে ক্রয় করা চাষের ৫৮ শতক জমি তারা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। এ অবস্থায় একই গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত আক্কেল আলীর ছেলে আবুল হোসেন (৩৮), হাজু মিয়া (৫৫) ও মাহফুজ মিয়া (৪৫), আয়ুব আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৬) এবং মৃত আয়াত আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান হবি (৩০) হঠাৎ করে এতদিন পর জমিটি তাদের দাবি করে দখলের হুমকি দেয়। একপর্যায়ে তারা শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জমির সমস্ত পেয়ারা গাছ কেটে সাবাড় করে দেয়। এতে প্রায় ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তারা হুমকি-ধামকি দেয়। প্রতিপক্ষরা মূলত জমিটি জবরদখলের উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে গাছগুলো কেটে ক্ষতিসাধন করেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে সরেজমিনে না পাওয়ায় তাদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি।
রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কী কারণে গাছগুলো কাটা হয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি। উভয়পক্ষকে নিয়ে এলাকায় বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে ঘটনাটি যেভাবেই ঘটুক না কেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।’