সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধিত হয়েছেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী হেলাল চৌধুরী।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে যুক্তরাজ্য থেকে জন্মভূমি সিলেটে আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দরে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
সংবর্ধনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হেলাল চৌধুরী বলেন, সিলেটের চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সিলেটের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে প্রবাসীরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছালে ‘হেলাল চৌধুরী সমর্থক গোষ্ঠী’সহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় অভ্যর্থনা জানান। এ সময় বিমানবন্দর এলাকায় তাকে স্বাগত জানাতে শত শত মানুষ ব্যানার ও ফুলের তোড়া নিয়ে জড়ো হন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, বিমানবন্দর থানা জামায়াতের আমির শফিকুল আলম মফিক, নগরীর ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুস সালাম, জামায়াত নেতা মামুন আহমদ ও ফেরদৌস আহমদ, বিশিষ্ট মুরুব্বি রুবেল আহমদ ও আব্দুল আহাদ, যুব সংগঠক ঈশা তালুকদার, বিমানবন্দর থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি লুৎফুর রহমান ও সেক্রেটারি সুফিয়ান আহমদ, এছাড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি কাজী কাওছার আহমদ রুহান, সেক্রেটারি সাব্বির আহমদ, ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি আইয়ুব মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ নাঈম, যুবনেতা তামিম আহমদ, নাবিল, আলিফ, আতিক, মাহাদ, আব্দুল গফ্ফার, সৌমিক, ইকরাম, নাবিল আহমদ, আবদুল্লাহ অনিক, জামিল মজুমদার ও ৫নং ওয়ার্ড ঐক্যফোরামের নেতৃবৃন্দ।
হেলাল চৌধুরী বলেন, সিলেটের প্রতিটি সাধারণ ও মেহনতি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার জীবনের মূল ব্রত। সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় কোনো সার্থকতা হতে পারে না। মহান আল্লাহ আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তা দিয়ে আমৃত্যু মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।
সম্প্রতি সিলেটে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই ঘটনা আমাদের হতবাক ও বিস্মিত করেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় প্রবাসীরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।”
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হেলাল চৌধুরী শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি বৃহত্তর সিলেটের একজন কীর্তিমান সন্তান। সুদূর যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও দেশের মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা সবসময় অটুট। শিক্ষা, সমাজসেবা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অবদান রয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটের সময়ে হেলাল চৌধুরী যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও তিনি সিলেট তথা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করেন তারা।