দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি ছিনতাইকারী চক্র কাজ করছে মন্তব্য করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান বলেছেন, ‘অনেকে চাকরি হারিয়ে ছিনতাইয়ের কাজে নেমেছে। যারা এসব ছিনতাই চক্র নিয়ে কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধেও আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে। ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে আমাদের এক পুলিশ ভাই গুরুতর আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা সজাগ আছি। গাজীপুরে চুরি-ছিনতাই আগের চেয়ে অনেক কমেছে। আপনাদের সহযোগিতায় ছিনতাই বন্ধ করে জিরোতে আনতে চাই। গাজীপুরে কোনো ছিনতাইকারী থাকবে না।’

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকা চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রেসব্রিফিং এ তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে অনুরোধ করেছি তারাও কিছু ভলানটিয়ার দিয়েছেন যানজট নিরসনে। এছাড়াও যারা যাত্রীবাহী গাড়ি চালাচ্ছেন তাদের পক্ষ থেকে ভলান্টিয়ার দেয়া হয়েছে। আমরা ঈদের বন্ধের মধ্যে মহাসড়কে শুধু জরুরি গার্মেন্টস পরিহন ও কাঁচামাল বহনকারী পরিবহন চলবে। এই ঈদের বন্ধের মধ্যে ট্রাক চলতে দেব না। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে ট্রাকগুলো অন্য দিকে ডাইভার্ট করে দিব। আমাদের ড্রোন সার্ভিস রয়েছে, আমরা ড্রোন দিয়ে দেখছি কোথায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে আমরা যানজট ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। এবার কোনো অবস্থাতেই মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উঠতে দেয়া হবে না। আর অটোরিকশা মহাসড়কে উঠলে তার বিরুদ্ধে ডাম্পিংসহ আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে। ঈদ উপলক্ষে বাসের ভাড়া বেশি নেয়া হলে তার বিরুদ্ধেও আইনিব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের উদ্দেশে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ডা: মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান বলেন, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিবেন না। আপনার একটি দুর্ঘটনা পুরো পরিবারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে।

তিনি বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তা সব সময় যানজট লেগে থাকত। আমরা চেষ্টা করেছি, গাজীপুর চৌরাস্তাকে যানজট মুক্ত করতে। ইতোমধ্যে ফুটপাতে যেসব হকার ছিল তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। যেসব গাড়ি পার্কিং ছিল সেগুলোকে আমরা সরিয়ে দিয়েছি। প্রেসব্রিফিং শেষে তিনি ময়মনসিংহ মহাসড়কে গণপরিবহনে ভ্রমণে যাত্রী ও চালকদের মাঝে সতর্কতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। এ সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।