দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে জলবায়ু গতিশীলতা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে ১ কোটি ১২ লাখ ইউরোর (১.১২৫ মিলিয়ন ইউরো) নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদি ‘দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিতে জলবায়ু গতিশীলতার জন্য একটি সমন্বিত পদ্ধতির প্রসার’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সম্মেলন কক্ষে ইআরডি ও আইওএম বাংলাদেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো: শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে।

অনুষ্ঠানে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও উইং চিফ (ইউএন উইং) এ কে এম সাহেল, যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান, ইআরডির সিনিয়র সহকারী সচিব মো: রাজিবুল আলম, আইওএম বাংলাদেশের জাতীয় কর্মসূচি কর্মকর্তা আশফাকুর রহমান খান, সরকারি সংযোগ বিশেষজ্ঞ ড. এস এম মোরশেদ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সহযোগী সংস্থার ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইআরডি জানিয়েছে, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো জলবায়ু-সম্পর্কিত বাস্তুচ্যুতি ও অভিবাসন মোকাবেলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং কার্যকর নীতিগত সমন্বয় নিশ্চিত করা। পাশাপাশি তথ্য ও জ্ঞান বিনিময় সম্প্রসারণ, প্রবাসীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর স্থিতিস্থাপকতা গড়ে তুলতেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে।

ইআরডি সচিব মো: শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট মানব গতিশীলতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা ও জলবায়ু অভিযোজন কৌশলের সাথে জলবায়ু গতিশীলতার বিষয়টি সমন্বিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আইওএম বাংলাদেশের মিশন প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জলবায়ু কর্মসূচিকে আরো এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জ্ঞানভিত্তিক অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করবে।