রাজধানী ঢাকায় রাতভর বৃষ্টি ঝরেছে। বুধবার সকালেও তা অব্যাহত আছে। থাকবে দিনভর। এমনটাই আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে।

সকাল ৭টা থেকে ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা আগের দিনের মতোই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আর আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলো জন্য দেয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে প্রকাশিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। আর মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।