অবশেষে ফুরাল সব প্রতিবন্ধকতা। ফিফা থেকে এলো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। সামিত এখন বাংলাদেশের। লাল-সবুজের হয়ে খেলতে তার আর কোনো বাধা রইল না। এখন কেবল এই ফুটবলাররে বরণ করে নেয়ার অপেক্ষা।

সামিত সোমকে পেতে বাংলাদেশ অনেক দিন ধরেই চেষ্টা করছে, ক্লাবের অনুমতির পর মিলেছিল কানাডা সকার অ্যাসোসিয়েশনের ছাড়পত্র। বাকি ছিল ফিফার ছাড়পত্র। সেটাও এবার পেয়ে গেলেন সামিত সোম।

গত ২০ এপ্রিল জন্মনিবন্ধন হাতে পাওয়ার পর গত ১ মে পেয়েছিলেন কানাডা সকার অ্যাসোসিয়েশনের ছাড়পত্র। এরপর গতকাল সোমবার সামিত হাতে পান বাংলাদেশের পাসপোর্ট। মঙ্গলবার (৬ মে) শেষ হলো ফিফার আনুষ্ঠানিকতাও।

খবরটি নিশ্চিত করে বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম এক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সামিতের পাসপোর্ট হাতে পেয়েই ফিফায় আবেদন করে ফেলি। আজ ফিফা থেকে ফিরতি মেইলে জানিয়েছে তার বাংলাদেশের হয়ে খেলতে আর বাধা নেই। তারা সব ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। আশা করি ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে সে খেলবে।’

হামজা চৌধুরীর অভিষেকের পর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় কানাডার লিগে সামিত সোমকে নিয়ে। প্রথমে সিদ্ধান্ত জানাতে দু’ সপ্তাহ সময় নিয়েছিলেন এই প্রবাসী ফুটবলার। পরে সুখবর দেন তিনি, ‘বাংলাদেশ হয়ে খেলতে চাই’। এরপর থেকেই শুরু হয় সব প্রক্রিয়া।

এরপর থেকেই তাকে পেতে দৌঁড়ঝাপ শুরু করে বাফুফে। এর আগে কানাডার জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচেও অংশ নিয়েছিলেন সামিত। ২০২০ সালে হয়ে দু’টি ম্যাচ খেলেন তিনি।

কানাডা প্রবাসী সামিত সোমের বাবা-মা দু’জনই বাংলাদেশী। বর্তমানে তিনি কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব কালাভরি এফসি-তে খেলছেন। সব ঠিক থাকলে ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের হবে অভিষেক হবে সামিতের।